Donald Beachler তাঁর “The politics of genocide scholarship: the case of Bangladesh” (Patterns of Prejudice, 41:5, 2007, pp467 - 492) জার্নাল পেপারে এই বিষয়ে বিশদ কিছু তথ্য তুলে ধরেন এবং তিরিশ লক্ষের ব্যাপারটা জাস্টিফাই করেন। নিচে তার কিছু চুম্বক অংশ তুলে ধরলাম।

আমেরিকান পলিটিক্যাল সাইন্টিস্টস Richard Sisson and Leo E. Rose (গণহত্যা হয়েছিল তা তারা স্বীকার করেন নি) বলেছিলেন প্রায় তিন লক্ষের মত মানুষ মারা গিয়েছিল [১]। Kalyan Chaudhuri বলেছিলেন ১২,৪৭,০০০ এর মত মানুষ মারা গিয়েছিল যদিও তিনি স্বীকার করেছিলেন যে তার হাতে কমপ্লিট ড্যাটা ছিল না [২]। R. J. Rummel হিসেব করেছিলেন দেড় মিলিয়নের মত মানুষ মারা গিয়েছিল [৩]। কিন্তু এইসব তথ্যই ভুল প্রমাণিত হয়েছিল। সাংবাদিক Sydney Schanberg হিসেব করে দেখিয়েছিলেন যে, বিদেশি দূতাবাসের কর্মকর্তা আর বিদেশি পর্যবেক্ষকদের মতামত নিয়ে, পাকিস্তানি আর্মিদের হাতে নিহত হওয়া সব মানুষকে হিসেব করা হলে আর আর রিফুইজি হিসেবে পালানোর সময় আর্মি আর তাদের দোসরদের হাতে নিহত হওয়া সব মানুষকে গনণা করলে মৃতের সংখ্যা ৩ মিলিয়নইএ. এম. এ. মুহিতের কাছ থেকে। তিনি হিসেব করে দেখিয়েছিলেন তিন মিলিয়নই মারা গিয়েছিল যুদ্ধের সময়ে [৫]।


আরেকটি খুব শক্ত প্রমাণ পাওয়া যায় ড. মাহবুবুর রহমানের “বাংলাদেশের ইতিহাসঃ ১৯৪৭-৭১” বইয়ের মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস অধ্যায় থেকে (পৃ. ৩১০)। জনসংখ্যার হিসেব করলেই এটি স্পষ্ট কতজন মারা গিয়েছিল। ১৯৬৯ সালের জুন মাসে পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যা ছিল ৬৯৮ লাখ। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বিবেচনা করলে ১৯৭৪ সালের আদমশুমারিতে জনসংখ্যা ৮০১ লাখ হবার কথা। কিন্তু বাস্তবে তা ছিল ৭৬৪ লাখ। যা প্রায় ৩৭ লাখ কম ছিল। তাই ৩০ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল যুদ্ধে এটি যথেষ্ট বাস্তবসম্মত।


ড. মাহবুবুর রহমান বিষয়ক তথ্যের জন্য কৃতজ্ঞতাঃ এম এম আর জালাল ভাই, অমি রহমান পিয়াল ভাই

রেফারেন্সঃ

১. Sisson and Rose, War and Secession.
২. Kalyan Chaudhuri, Genocide in Bangladesh (Bombay: Orient Longman 1972)
৩. R. J. Rummel, Death by Government (New Brunswick, NJ: Transaction Publishers 1997)
৪. Sydney H. Schanberg, ‘Bengalis’ land a vast cemetery’, New York Times, 24 January 1972, 1
৫. A. M. A. Muhith, Bangladesh: Emergence of a Nation, (Dhaka: University Press 1992) হবে [৪]। যা শেখ মুজিবর রহমান তাঁর ভাষনে বলেছিলেন। তিন মিলিয়নের স্বপক্ষে আরেকটি বড় দলিল আসে ছবিতে দেখুন।

বিস্তারিত পড়ুন...

নিচের লেখাটি Century of Genocide: Eyewitness Accounts and Critical Views By Samuel Totten, William S. Parsons and Israel W. Charny (New York: Garland Publishing, 1997) বইয়ের দশম চাপ্টার (পৃ. ২৯১-৩১৬) থেকে অনুবাদ করা ও সংক্ষেপিত। এই চাপ্টারের নাম Eyewitness Accounts: Genocide in Bangladesh by Rounaq Jahan.

এই চাপ্টারে একাত্তরের গণহত্যার বেশ কিছু সাক্ষীর কথা বলা হয়েছে। প্রথম দুই অংশে ২৫ শে মার্চ কালো রাতে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে ঘটে যাওয়া হত্যাকান্ডের সাক্ষী দুইজনের কথা বলা হয়। একজন ছিলেন জগন্নাথ হলের ছাত্র আর অন্যজন বুয়েটের একজন টিচার। ৩য় ও চতুর্থ সাক্ষী বর্ণনা দেন পাকিস্তানিদের নারী নির্যাতনের। আর পঞ্চম সাক্ষী এক গ্রামে ঘটে যাওয়া কিছু নিরপরাধ কিশোর হত্যার কিছু বিবরন তুলে ধরেন। আর শেষ সাক্ষীর কথা থেকে বিহারীদের কিছু তান্ডবলীলার কথা জানা যায়।


জগন্নাথ হলের হত্যাকান্ড

এই অংশটুকু নেয়া হয়েছে রশিদ হায়দারের এডিট করা “১৯৭১: ভয়াভয় অভিজ্ঞতা” (ঢাকা, জাতীয় সাহিত্য প্রকাশনী, ১৯৮৯) বইয়ের কালি রঞ্জনশীলের “জগন্নাথ হলে ছিলাম ” অধ্যায় থেকে (পৃ. ৫)।

আমি দক্ষিন ব্লকের ২৩৫ নাম্বার রুমে ছিলাম। ২৫ তারিখ রাতে গোলাগুলি আর বোমা-শেল ফাটার শব্দে আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়। হতভম্ব হয়ে চিন্তা করছিলাম কি করা যায়। তারপর আমি ছাত্র সংসদের জেনারেল সেক্রেটারি সুশীলের কাছে যাবার জন্য ক্রল করে ৪র্থ তলায় উঠলাম। তার রুমে আরো কিছু ছেলে এরই মধ্যে এসে পড়েছিল কিন্তু সুশীল তখন রুমে ছিল না। ছাত্ররা আমাকে বলল ছাদে যেতে যেখানে আরো বেশ কিছু ছেলে আশ্রয় নিয়েছিল। কিন্তু আমি (হয়ত কিছুটা স্বার্থপরের মত) ভাব্লাম নিজের মত করে থাকি; আর তাই চতুর্থ তলার উত্তর কোনার দিকে চলে গেলাম আস্তে আস্তে ক্রল করে। জানাল দিয়ে আমি দেখছিলাম আর্মিরা সার্চলাইট দিয়ে ছাত্রদের খোঁজে রুমে রুমে তল্লাশি চালাচ্ছিল। আর খুঁজে পেলেই তাদেরকে শহীদ মিনারের কাছে নিয়ে যেয়ে গুলি করছিল। পাকিস্তানি আর্মিরা মাঝে মাঝেই মর্টার ব্যবহার করছিল হলের দিকে তাক করে। অ্যাসেম্বলির সামনের টিন শেড আর উত্তর ব্লকের বেশ কিছু রুমে আগুনও ধরিয়ে দেয় তারা।

কিছু সময় পরে ৪০-৫০ জন পাকিস্তানি আর্মি দক্ষিণ ব্লকে আসে আর ডাইনিং রুমের জানালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে। আর লাইট জ্বালিয়ে যেসব ছাত্র সেখানে আশ্রয় নিয়েছিল তাদের উপরে গুলি বর্ষণ করে। আর্মিরা যখন সেই রুম থেকে বের হয়ে আসে, তখন তারা হলের কেয়ারটেকার প্রিয়নাথদাকে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে বিভিন্ন রুমের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। সেই সময়ে আমি তাদের দেখতে পারছিলাম না কারন আমি বাথরুম থেকে বের হয়ে ৪র্থ তলার সানশেডে লুকিয়েছিলাম। কিন্তু গোলাগুলির শব্দ, ছাত্রদের আহাজারি আর আর্মিদের ভাংচুরের শব্দ ঠিকই শুনতে পাচ্ছিলাম।

আর্মিরা চলে গেলে আমি আবার বাথরুমে এসে লুকাই। জানালা দিয়ে দেখতে পেলাম সলিমুল্লাহ হলেও আগুব জ্বলছে। শহরের উত্তর আর পশ্চিমাংশও জ্বলছিল।

সকাল বেলাতে ছাত্রদের গলার আওয়াজ পেয়ে আমি বের হই। দেখি কিছু ছাত্র প্রিয়নাথদার মৃতদেহ বয়ে নিয়ে যাচ্ছে নিচের দিকে আর আর্মিরা তাদের পাহারা দিচ্ছে। আর্মিরা আমাকেও বলে ছাত্রদের সাহায্য করার জন্য। হল থেকে মৃতদেহগুলো নিয়ে নিয়ে আমরা বাইরের মাঠে জড়ো করছিলাম। সেই সময়ে আমরা কয়েকজন ছিলাম ছাত্র, কয়েকজন মালি, গেট রক্ষকের দুই ছেলে আর বাকিরা ছিল পয়পরিস্কারকারী। পয়পরিস্কারকারীরা আর্মিদের বলল যে তারা তো বাঙ্গালি না, তাদের যেন যেতে দেয়া হয়। আর্মিরা তাদের আমাদের কাছ থেকে আলাদা করে নেয়। আর্মিরা সারাক্ষণ আমাদের লাথি মেরেছিল আর চিৎকার করছিল “"We will see how you get free Bangladesh! Why don't you shout Joy Bangla”। আমাদের তিনটি গ্রুপে ভাগ করে আমি যেই গ্রুপে ছিলাম সেটাকে নিয়ে তারা ইউনিভার্সিটির কোয়ার্টারে যায় আর পাঁচ তলার সবগুলো রুম চেক করে এবং মূল্যবান জিনিসপত্র সব লুট করে। নিচের তলায় আমরা স্তপ করে রাখা মৃতদেহ দেখেছিলাম বেশ কিছু।

ফিরে আসার পরে আমাদের দিয়ে মৃতদেহগুলো শহীদ মিনারে নিয়ে আগে থেকেই সেখানে রাখা আরো অনেক মৃতদেহের সাথে জড়ো করায়। আমার সাথী ও আমি যখন সুনীলদার (হলের গার্ড) মৃতদেহ বয়ে নিচ্ছিলাম তখন পাশের বস্তি থেকে মহিলাদের চিৎকার শুনতে পাই। আর্মিরা ঐসময়ে পয়পরিস্কারকারীদের উপরে গুলিবর্ষণ করছিল। আমি বুঝলাম যে আমাদেরও সময়ে এসেছে কারন যারা আমাদের আগে লাইনে ছিল তাদেরকে একসারিতে দাড় করিয়ে আর্মিরা গুলি করছিল। আমি ঐসময়ে দেখেছিলাম ড. দেবের (ফিলোসফি বিভাগের প্রফেরস) মৃতদেহ। আমি তখন ওনার মৃতদেহের পাশে শুয়ে পড়ি সুনীলদার লাশ ধরে থাকা অবস্থায় আর গুলির অপেক্ষায় থাকি। কিছুক্ষণ পরে চোখ মেলে দেখি তারা সবাই চলে গেছে।

তারপর আমি যাই পাশের বস্তিতে। সেখানে ইদু ভাই (পুরান বই বিক্রেতা) আমাকে অভয় দেন। তারপর পুরান ঢাকা হয়ে নদী পার হয়ে (মাঝি টাকা নেন নাই) শিমুলিয়া, নওয়াবগঞ্জ হয়ে আমি এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে বরিশালে আমার গ্রামে চলে আসি।



ড. নূরুল উলার ডকুমেন্টারি

এই অংশটুকু নেয়া হয়েছে Amita Malik's The Year of the Vulture (New Delhi: Orient Longmans, 1972, pp. 79-83) থেকে।

শিক্ষকদের অন্তেস্টিক্রিয়ার সময়ে বাংলা ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর রফিক উল ইসলাম আমাকে ফিসফিস করে বলেন যে টিভি স্টেশনে একটি ডকুমেন্টারি আছে ২৫ শে মার্চের গণহত্যার। সাথে সাথে আমি জামিল চৌধুরিকে জিজ্ঞাসা করি এই ব্যাপারে। তিনি আমাকে কনফার্ম করেন ব্যাপারটা। তিনি আরো জানান ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটির একজন প্রফেসর এই ভিডিওটি ধারন করেছিলেন। ৫ই জানুয়ারিতে আমি অনুমতি পাই টিভি কেন্দ্রে এই ভিডিওটি দেখার।

প্রায় ২০ মিনিটের এই ভিডিওটিতে দেখা যায় জগন্নাথ হল থেকে লাশ বয়ে কিছু মানুষ বের হচ্ছে। লাশগুলো বেশ সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়। এভাবে আস্তে আস্তে লাশের স্তুপ করে ফেলা হয়। শেষ হবার পরে যারা লাশগুলো বয়ে এনেছিল তাদের লাইন দাড় করিয়ে রেখে গুলি করে মেরে ফেলা হয়।

এই ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ (ইলেকট্রিক্যাল ডিপার্টমেন্টের টিচার ড. নূরুল উলার নিজের ভাষায় বলে যাওয়া) পাবেন এম. এম. আর. জালাল ভাইয়ের পোস্টে




যদি ইউ টিউবে দেখতে সমস্যা হয়, ডাউনলোড এর লিঙ্ক



নারী নির্যাতন

এই অংশটুকু নেয়া হয়েছে রশিদ হায়দারের এডিট করা “১৯৭১: ভয়াভয় অভিজ্ঞতা” (ঢাকা, জাতীয় সাহিত্য প্রকাশনী, ১৯৮৯) বইয়ের মো. আখতারুজ্জামান মন্ডলের “আমাদের মা বোন” অধ্যায় থেকে (পৃ. ১৯৭)।

আমরা ভুরুঙ্গমারি স্বাধীন স্বাধীন করার জন্য ১১ই নভেম্বর থেকে পশ্চিম, উত্তর ও পূর্ব দিক থেকে একযোগে আক্রমণ শুরু করি। ইন্ডিয়ান বিমান বাহিনী ঐদিন সকালে উপর্যপরি বিমান হামলা শুরু করে। ১৩ই নভেম্বরে আমরা নিকটবর্তী হই আর ইন্ডিয়ান বিমান বাহিনীও তাদের অ্যাটাক জোরদার করে। ১৪ তারিখ সকালে পাকিস্তানিদের গোলাগুলি বন্ধ হয়ে যায় আর আমরা ভুরুঙ্গমারিতে প্রবেশ করি জয় বাংলা বলতে বলতে। ৫০-৬০ জন পাকিস্তানি আর্মিকে আটক করি আর তাদের ক্যাপ্টেনকে (captain Ataullah Khan) পাই ব্যাঙ্কারে মৃত অবস্থায়। ঐ সময়েও সে এক মৃত নারীকে জরিয়ে ধরেছিল। তাঁর সারা শরীরে নির্যাতনের দাগ। তাঁকে আমরা কবর দেই।

তখনো ভাবিনি আর কত নির্মম দৃশ্য দেখা বাকি আছে। ওয়্যারলেসে আমাকে সার্কেল অফিসে যেতে বলা হয়। সেখানে আমরা বেশ কিছু অল্প বয়সী নারীকে তালাবদ্ধ অবস্থায় পাই। তাদেরকে দরজা ভেঙ্গে আমরা মুক্ত করি। দরজা ভাঙ্গার পরে আমরা তাঁদেরকে নগ্ন, ধর্ষিত নির্যাতিত অবস্থায় দেখতে পাই। আমরা সাথে সাথে রুম থেকে বের হয়ে চারটা লুঙ্গি আর চারটা বেডশিট ছুড়ে দেই ভিতরে। আমরা তাদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করি কিন্তু তাঁরা খুবই শকড অবস্থায় ছিলেন। একজন ছিলেন ছয় সাত মাসের প্রেগনেন্ট। একজন ছিলেন ময়মনসিংহের কলেজ ছাত্রী। তাঁদেরকে চকিৎসার জন্য ইন্ডিয়ান আর্মির গাড়িতে করে ইন্ডিয়াতে নিয়ে যাওয়া হয়। আমরা রাস্তার আশেপাশে গর্তে অনেক খুলি আবিস্কার করি। খুলিগুলোতে লম্বা চুল আর ছেঁড়া শাড়ি পেচানো ছিল, অনেকের হাতে চুড়ি ছিল। ভুরুঙ্গমারি হাই স্কুলের একটি রুমে ১৬ জন নির্যাতিত নারীকে উদ্ধার করি। আশেপাশের প্রাম থেকে তাদের নিয়ে আসা হয়েছিল। সার্কেল অফিসের বিভিন্ন রুমে আমরা অনেক প্রমান পাই যে নারীদের জানালার সাথে বেঁধে রেখে বারবার রেপ করা হয়েছিল। পুরা মেঝে ভরে ছিল রক্তে, লম্বা চুলে আর ছেঁড়া কাপড়ে।

একজন নির্যাতিতের কথা পাবেন নিচের ইউ টিউব লিঙ্কে।





এক কর্মকর্তার স্ত্রী

এই অংশটুকু নেয়া হয়েছে Amita Malik's The Year of the Vulture (New Delhi: Orient Longmans, 1972, pp. 141-42) থেকে।

তিনি (২৫ বছর বয়স) ছিলেন এক সরকারী কর্মকর্তার স্ত্রী। তাঁর তিন ছেলেমেয়ে ছিল। আর্মিরা প্রথমে তাঁর স্বামীকে নিয়ে যায়, আর প্রায় অর্ধ মৃত অবস্থায় ফেরত দেয়। তারপর অন্য একদল আর্মি আসে সকাল ৮-৯ টার দিকে। আর তাঁকে রেপ করে তাঁর স্বামী সন্তানদের সামনে। তারপর আরো একদল আর্মি আসে দুপুর ২.৩০ টার দিকে আর তাঁকে তুলে নিয়ে যায়। এক ব্যাকারে আটকে রেখে তাঁকে বারবার রেপ করে প্রতি রাতে তিনি অজ্ঞান না হওয়া পর্যন্ত। তিন মাস পরে যখন তিনি ফিরে আসেন, তিনি ছিলেন প্রেগন্যান্ট। গ্রামের মানুষজন তাঁকে সহানুভুতি জানায় কিন্তু তাঁর স্বামী তাঁকে ফেরত নিতে অস্বীকার করে। গ্রামের মানুষ জোর করায় তাঁর স্বামী আত্মহত্যা করে। আমরা তাঁকে সাহায্য করার চেষ্টা চালাচ্ছি কিন্তু তিনি একটি কথাই বারবার বলে যাচ্ছেন “But why, why did they do it? It would have been better if we had both died”।


এক মৌলভির কথা

এই অংশটুকু নেয়া হয়েছে Amita Malik's The Year of the Vulture (New Delhi: Orient Longmans, 1972, pp. 102-4) থেকে। এটি শেখ মুজিবের নিজ গ্রামের কাহিনী।

১৯শে এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে সকাল ৮ টার দিকে প্রায় ৩৫ জন আর্মি লঞ্চে করে আমাদের গ্রামে আসে। কিছুদিন আগে আমি শেখের বাবা মাকে বলেছিলাম গ্রাম ছেড়ে যেতে কিন্তু তাঁরা রাজি হন নাই। আর্মিরা এসে আমাকে দেখতে পেয়ে জিজ্ঞাসা করে, এই মৌলভি, শেখের বাবা মা কোন বাড়িতে থাকে। আমি তাঁর বাবাকে ডেকে আনি। আমরা একটা চেয়ার দিয়েছিলাম কিন্তু আর্মিরা তাঁকে মাটিতে বসতে বাধ্য করে। তারপর শেখের মা আমার হাত ধরেন, আর আমি তাঁকে চেয়ারে বসতে সাহায্য করি। আর্মিরা শেখের বাবার পিঠে স্টেন গান আর আমার পিঠে একটি রাইফেল ধরে আর বলে দশ মিনিটের মাঝে তোমাদের মেরে ফেলবো।

তারা শেখের বাড়ি থেকে একটি ডায়েরি আর কিছু ঔষধ নেয়, আর আমার কাছে চাবি খুঁজে। আমি চাবি দিলে তারা ট্রাঙ্ক ভেঙ্গে তল্লাশি চালায়; যদিও পাঁচটি চামুচ ছারা আর কিছুই মেলে নাই। তারা একটি ছবি দেখে আমাকে জিজ্ঞাসা করে এটা কার। শেখ মুজিবের বলায় তারা সেইটাও নিয়ে যায়।

তারা আমাকে রাইফেল দিয়ে মেরে শেখের বাবার পাশে টেনে নেয় আর আবারো মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমি জিজ্ঞাসা করি শেখের বাবাকে কেন মারবে? তারা বলে “"Is lire, keonki wohne shaitan paida kira hai" ["Because he has produced a devil."]” আমাকে কেন মারবা যে কিনা মসজিদের ইমাম? তারা বলে “Aap kiska imam hai? Aap vote dehtehain" ["What sort of an imam are you? You vote."]” ক্যাপ্টেন তখন আরো বলে ৮ মিনিট গেছে আর ২ মিনিট পরে গুলি করা হবে। তখন একজন মেজর দৌড়ে আসে লঞ্চ থেকে আর নির্দেশ দেয় আমাদের না মারার। আর শেখের বাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়।

আমি সাথে সাথে মসজিদে যায় আর প্রায় ৫০ জনের মত গ্রামবাসীকে দেখতে পাই। আর্মিরা এরই মধ্যে তিনজন বালককে টেনে বের করে গুলি করে মারে। খান সাহেব (শেখ মুজিবের চাচার) একজন কিশোর ভৃত্য ছিল এরশাদ নামে। আর্মিরা আমাকে তার কথা বললে আমি বলি যে সে একজন কাজের ছেলে। কিন্তু তখন এক রাজাকার মৌলভি (পাশের গ্রামের) বলে যে ঐ ছেলেটা শেখ মুজিবের আত্মীয় যা আদতে মিথ্যা ছিল। আর্মিরা এরশাদকেও লাইনে নিয়ে যায়। ছেলেটা পানি খেতে চাইলেও দেয়া হয় নাই। ঢাকা থেকে আসা একটি কিশোর যে সেখানে তার বাবার সাথে কাজ করতো তাকেও মেরে ফেলে আর্মিরা। এরশাদকে তার মায়ের সামনে গুলি করে মারে। গুলির পরে এরশাদ একটু নড়াচড়া করলে আবার তাকে গুলি করে। আর্মিরা ঐদিন মোট ছয়জন নির্দোষ কিশোরকে হত্যা করে কোন কারন ছাড়াই। তোরাব ইয়াদ আলীর মা বারবার বলেও ছেলেকে কবর দেয়ার জন্য নিয়ে যেতে পারেন নি, কারন আর্মিরা চাচ্ছিল এইসব মৃতদেহ দেখিয়ে সবাইকে ভয় দেখাতে। এই বিধবার ১০ বছরের সন্তান মিঠুকেও তারা গুলি করে। কারন ছিল মিঠু মুক্তি বাহিনীকে সাহায্য করেছিল।


ফয়েজ লেকের হত্যাকান্ড

এই অংশটুকু নেয়া হয়েছে রশিদ হায়দারের এডিট করা “১৯৭১: ভয়াভয় অভিজ্ঞতা” (ঢাকা, জাতীয় সাহিত্য প্রকাশনী, ১৯৮৯) বইয়ের আব্দুল গোফরানের “ফয়েজ লেকের গণহত্যা” অধ্যায় থেকে।

পাহাড়তলির আকবর শাহ মসজিদের কাছে আমার একটা দোকান ছিল। ১০ই নভেম্বর, ১৯৭১ সকাল ৬ টার দিকে প্রায় ৪০-৫০ জন বিহারি আমার দোকানে এসে জোর করে আমাকে নিয়ে যায়। তারা আমাকে ফয়েজ লেকে নিয়ে যায়। সেখানে আমি দেখতে পাই পাম্প হাউজের উত্তর পাশে লেকের ধারে অনেককে হাত বেঁধে রাখা হয়েছে। বিহারিদের হাতে ছুড়ি, তলোয়ার বা শার্প অন্য কোন অস্ত্র ছিলো। বিহারিরা প্রথমে বাঙ্গালিদের মারধোর করছিল আর অস্ত্রধারীদের কাছে নিয়ে যাচ্ছিল। একদল অস্ত্রধারী বিহারিরা অসহায় মানুষগুলোর পেটে ঘুষি মারছিল আর তলোয়ার দিয়ে মাথা বিচ্ছিন্ন করছিল। আমি বেশ কয়েক গ্রুপ বাঙ্গালিকে এভাবে মেরে ফেলতে দেখি। একজন বিহারি আমার দিকে আগায় আর আমার সোয়েটার খুলে নেয়। তখন আমি তাকে ঘুসি মেতে লেকে ঝাঁপ দেই। অন্যপাড়ে যেয়ে আমি খোপের আড়ালে লুকাই। তারা আমার খোঁজে আসলেও আমি ভাগ্যক্রমে লুকিয়ে থাকতে সক্ষম হই। ঝোপের আড়ালে থেকে আমি আরো অনেককে একইভাবে হত্যা করতে দেখি।

দুপুর দুইটা পর্যন্ত এই হত্যাকান্ড চলতে থাকে। এ সময়ের দিকে তারা ১০-১২ জন বাঙ্গালির একটি দলকে আনে। আর তাদেরকে দিয়ে গর্ত খুড়িয়ে লাশগুলো কবর দেয়ায় এবং তাদেরকেও মেরে ফেলে অবশেষে। তারপর আনন্দে চিৎকার করতে করতে বিহারিগুলো চলে যায়। তখনো অনেক লাশ আশেপাশে পড়ে ছিল।

ছবি কৃতজ্ঞতাঃ উইকিপিডিয়া

বিস্তারিত পড়ুন...

Crying in the rain--A-Ha

লিখেছেন রাশেদ | Sunday, March 23, 2008 | | 0 মন্তব্য »

এই গানটা Everly Brothers সবার আগে ১৯৬২ সালে গেয়েছিল। তাছাড়া Tammy Wynette গেছেছিলেন ১৯৮১ তে। এরপর ১৯৯০ সালে নরওয়েজিয়ান ব্যান্ড A-Ha এই গানটি পারফর্ম করে। বেশ ভালো হিট হয়েছিল। নরওয়ের সবচেতে বানিজ্যিক সফল ব্যান্ড তারা। প্রায় ৮০ মিলিয়ন বিক্রি হয়েছিল তাদের বিভিন্ন অ্যালবাম আর সিঙ্গেলস যা কিনা নরওয়ের জনসংখার প্রায় ১৬ গুণ।

I'll never let you see
The way my broken heart is hurting me
I've got my pride and I know how to hide
All the sorrow and pain
I'll do my crying in the rain

If I wait for cloudy skies
You won't know the rain from the tears in my eyes
You'll never know that I still love you
So though the heartaches remain
I'll do my crying in the rain

Raindrops falling from heaven
Will never wash away my misery
But since we're not together
I'll wait for stormy weather
To hide these tears I hope you'll never see

Someday when my crying's done
I'm gonna wear a smile and walk in the sun
I may be a fool
But till then, darling, you'll never see me complain

I'll do my crying in the rain
I'll do my crying in the rain
I'll do my crying in the rain
I'll do my crying in the rain



অডিও লিঙ্ক


সূত্রঃ
1
Lyrics

বিস্তারিত পড়ুন...

Lambada--Kaoma

লিখেছেন রাশেদ | Saturday, March 22, 2008 | | 0 মন্তব্য »

Kaoma ব্যান্ডের Lambada গানটা মনে হয় সবাই একবার হলেও শুনেছি। এটি একটি ফ্রেঞ্চ ব্যান্ড। এদের সবচেয়ে বড় হিট গান ছিল Lambada. ১৯৮৯ এ রিলিজ হওয়া গানটিতে কন্ঠ দিয়েছিলেন ব্যান্ডের এক সময়ের ভোকাল ব্র্যাজিলিয়ান Loalwa Braz. এই গানটি ছিল বলিভিয়ান এক ব্যান্ডের Llorando se fue নামক গানের অনুবাদ। অনুমতি ছাড়া এই গান নেয়ার জন্য অবশ্য তাদের জরিমানাও দিতে হয়েছিল। গানটি ওই বছরেই ৫ মিলিয়নের উপরে বিক্রি হয় আর বেশ কিছু টপ চার্টে নাম্বার ওয়ানেও যায়। ফ্রান্সে ম্যাডোনার Vogue গানের চেয়েও বেশি জনপ্রিয়তা পায়।

Lambada হচ্ছে এক ধরনের ব্রাজিলিয়ান নাচ। এই গানের ভিডিওতে অংশ নেয়ে দুই পিচ্চির নাম ছিল Chico (ব্রাজিলিয়ান) আর Roberta (ফ্রেঞ্চ)। তারা দুজন মিলে ১৯৯০ সালে একটা অ্যালবামও বের করেছিল যা ফ্রান্সে বেশ জনপ্রিয় হয়।

অডিও লিঙ্ক

তুমিনালী লিঙ্ক
সতর্ক বাণীঃ ইহা কিন্তুক ব্রাজিলিয়ান নাচের ভিডিও!

সূত্রঃ

Kaoma

বিস্তারিত পড়ুন...

তুই তুই তুই

লিখেছেন রাশেদ | Friday, March 21, 2008 | | 0 মন্তব্য »

দুঃখটুকু চেপে রাখ
সুখটুকু বিলিয়ে যা
নিজের আর কয়দিন
অন্যকে স্বপ্ন দেখা

বাঁধা হয়ে দাড়াস নে
সুখ তাকে বুনতে দে
নিজের সুখের আগুনে
তারে তুই পুড়াস নে

চাইলেই কি আর সব হয়
হাত বাড়িয়েও ধাক্কা সই
তোর থেকে প্রিয় কেউ নেই
তোর সব ভালো চাই তাই

তোর গন্ধ ভুলি নাইরে
তোর নিরব চাহনি আজো পোড়ায় যে
তোর টোলছাড়া গালই আমার প্রিয়
তোর পাতলা ঠোঁটেই মদেছিলাম
তোর উষ্ণতাটুকু আজো অমলিন

তবুও
ভুলেও আর চাইবো না
তোকে মনেও পড়বে না
তুই যে ছিলি আমার সবি
তবুও
তোর সাথে যে আড়ি

স্বার্থপরের মত
সুখী হ তুই
ভুলেও কাঁদি না
চোখে পানি আসে না
সুখী হ তুই

মুখপুড়ী সুখী হ তুই!!
তুই তুই তুই!!

বিস্তারিত পড়ুন...

Hole in my soul--Aerosmith

লিখেছেন রাশেদ | Friday, March 21, 2008 | | 0 মন্তব্য »

এই গানটা ১৯৯৭ সালে রিলিজ হয়। আমেরিকান ব্যান্ড Aerosmith এর Nine Lives অ্যালবামের গান। টপ চার্টে ভালোই ঘোরাঘুরি করছিল। লিরিক্সে এক বেটার কথা বলা হয় যে ইমোশনালি ভেঙ্গে পড়ছে ছ্যাকা খাইয়া। ভিডিওতে দেখানো হয় এক পড়ুয়া ছেলেরে যারে হাই স্কুলে পোলাপাইন পঁচাইয়া মজা লইতো। মাইয়ারাও তারে নিয়া মজা কর্ত। একটা মাইয়া তার লাইগা সফট আছিলো, কিন্তু সে বিশেষ পাত্তা দেয় নাইক্কা। মাইয়াগো কাছে ডাব্বা খেয়ে তখন সে সাইন্টেফিক উপায়ে পার্ফেক্ট গার্ল বানাইলো। কিন্তু সেইগুলোও ভাইগা গেছে। পরে বুঝল পার্ফেক্ট গার্ল বইলা কিছুই নাই। যেইডারে পাত্তা দিতেছিল না ঐডাই তার লাইগা বেস্ট চয়েস। পরে ঐটার সাথে যায়।

সাইন্টেফিক গার্ল একটা আছিলো Eva Mendes যে 2 Fast 2 Furious, Hitch, Training Day and We Own the Night ছবিতে অভিনয় করছিলো। আর নায়ক থাকে Seann William Scott যে American Pie ছবিতে অভিনয় করে।


অডিও লিঙ্ক

I'm down a one way street
With a one night stand
With a one track mind
Out in no man's land
The punishment sometimes
Don't seem to fit the crime

Yeah there's a hole in my soul
But one thing I've learned
For every love letter written
There's another one burned
So you tell me how it's gonna be this time

Is it over?
Is it over?
'Cause I'm blowin' out the flame

Take a walk outside your mind
Tell me how it feels to be
The one who turns
The knife inside of me

Take a look and you will find
There's nothing there, girl
Yeah I swear, I'm telling you, girl yeah 'cause

(Chorus)
There's a Hole In My Soul
That's been killing me forever
It's a place where a garden never grows
There's a Hole In My Soul
Yeah, I should have known better
'Cause your love's like a thorn without a rose
Yeah, yeah

I'm as dry as a seven year drought
I got dust for tears
Yeah I'm all tapped out
Sometimes I feel broken and can't get fixed

I know there's been all kinds of shoes
Underneath your bed
Now I sleep with my boots on
But you're still in my head
And something tells me this time
I'm down to my last licks

'Cause if it's over
Then it's over
And it's driving me insane

Take a walk outside your mind
Tell me how it feels to be
The one who turns
The knife inside of me
Take a look and you will find
There's nothing there, girl, yeah, I swear
I'm telling you girl yeah 'cause

(Chorus)

Yeah, is it over?
Yeah, it's over
And I'm blowing out the flame

Take a walk outside your mind
Tell me how it feels to be
The one who turns
The knife inside of me
Take a look and you will find
There's nothing there, girl, yeah, I swear
I'm telling you girl yeah 'cause

(Chorus)

Oh, oh...


সূত্রঃ
1
Lyrics

বিস্তারিত পড়ুন...

The Power of Love--Jennifer Rush/Céline Dion

লিখেছেন রাশেদ | Wednesday, March 19, 2008 | | 0 মন্তব্য »

এই গানটি ১৯৮৫ সালে প্রথম গেয়েছিলেন আমেরিকান গায়িকা Jennifer Rush. এছাড়া Laura Branigan, Céline Dion, Air Supply সহ বেশ কিছু আর্টিস্ট এই গানটি গেয়েছিল। Jennifer Rush এর এই গানটিই প্রথম কোন মহিলা শিল্পীর গান যা ইউকেতে মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছিল। টপ চার্টেও ৫ সপ্তাহের মত ছিল। অন্যদিকে আমেরিকাতে তেমন সারা ফেলতে পারে নাই গানটা। একই বছরে অ্যাংলো অস্ট্রেলিয়ান ব্যান্ড Air Supply এই গানটি নিজেদের অ্যালবামের জন্য গায়। অবশ্য তারা লিরিক্সে একটু পরিবর্তন করে "You are my lady, and I am your man” বানিয়ে নেয়। ১৯৮৭ সালে আমেরিকান (বর্তমানে মৃত) Laura Branigan (তার বিখ্যাত একটা গান Self Control) গাওয়ার পরে বেশ হিট হয় আমেরিকাতে। এই গানটিই পরে যখন কানাডিয়ান গায়িকা Céline Dion তার The Colour of My Life (১৯৯৩) অ্যালবামে ইনক্লুড করে, তা টপ চার্টে এক নাম্বারে চলে যায়। এমনকি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনয়ন পায়। কানাডাতে ৭০ সপ্তাহ এই গানটি টপ চার্টে থাকে যার মাঝে ১২ সপ্তাহ নাম্বার ওয়ানে।

এই গানটি সুইডিশ, জার্মান, পাঞ্জাবি আর স্প্যানিশ ভাষাতেও অনুবাদ হয়েছিল।


Céline Dion Version

Jeniffer Rush Version

Air Supply Version

আমি মাঝে মাঝে কনফিউজড হয়ে যাই কোন ভার্শনটা বেশি ভালো লাগে আমার!


লিরিক্স

The whispers in the morning
Of lovers sleeping tight
Are rolling like thunder now
As I look in your eyes

I hold on to your body
And feel each move you make
Your voice is warm and tender
A love that I could not forsake

(first chorus)
cause I am your lady
And you are my man
Whenever you reach for me
I'll do all that I can

Lost is how Im feeling lying in your arms
When the world outsides too
Much to take
That all ends when I'm with you

Even though there may be times
It seems I'm far away
Never wonder where I am
cause I am always by your side

(repeat first chorus)

(second chorus)
We're heading for something
Somewhere I've never been
Sometimes I am frightened
But I'm ready to learn
Of the power of love

The sound of your heart beating
Made it clear suddenly
The feeling that I cant go on
Is light years away

(repeat first chorus)

(repeat second chorus)

সূত্রঃ
Power of Love
Céline Dion
Laura Branigan
Lyrics

ইহা আমার ৫০ তম পোস্ট! আমি নিজেই টাশকি!

উৎসর্গঃ তোমাকে

বিস্তারিত পড়ুন...

Back Out of Hell II: Meat Loaf

লিখেছেন রাশেদ | Tuesday, March 18, 2008 | | 0 মন্তব্য »

Meat Loaf এর গান আমি তেমন শুনি নাই। মাত্র তিনটা গান শুনেছি। কিন্তু তিনটাই অসাধারন।

Michael Lee Aday একাধারে গায়ক এবং মঞ্চ ও রুপালি পর্দার অভিনেতা। সে গানের জগতে Meat Loaf নামেই পরিচিত। তার ব্যান্ডের নাম Neverland Express. তার প্রথম অ্যালবাম Stoney & Meatloaf ১৯৭১ সালে রিলিজ হয়। ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে সে আমেরিকার থেকে ইউরোপে আগে জনপ্রিয়তা অর্জন করে। ব্যক্তিগত জীবনে সে ৫০ টিরও বেশি সিনেমা বা টিভি অনুষ্ঠানে অভিনয় করেছে আর ঋণখেলাপিও হয়েছিল একাধিকবার। ইউনিভার্সিটি অফ নর্থ টেক্সাসে পড়ার সময়ে তাকে আর্মি ড্রিলের জন্য ডাকা হয়। সে এইটা এড়াবার জন্য সাড়ে চার সপ্তাহে ৬৮ পাউন্ড ওজন বাড়ায়!

Back out of Hell

পিটার প্যানের একটি মিউজিকাল, Neverland, থেকে সে উৎসাহ পায় এই অ্যালবামটি করার জন্য। এই অ্যালবামটি কম্পোজ করার পরে প্রায় আড়াই বছর তারা রেকর্ড কম্পানিগুলোর পিছে পিছে ঘুরেছিল। অবশেষে ১৯৭৭ সালে রিলিজ পায় অ্যালবামটি। আর এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৪ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছে আর ৯ বছরের বেশি সময় ধরে চার্টে ঝুলে ছিল। অস্ট্রেলিয়া আর ইংল্যান্ডে অ্যালবামটি বেশ জনপ্রিয় হয়। তবে মেলা সময় লাগিয়ে। ইংল্যান্ডে ৪৭৪ সপ্তাহ ধরে টপ চার্টে থাকে। এর থেকে বেশি থাকার রেকর্ড আছে একমাত্র Fleetwood Mac এর। আর আমেরিকাতে জনপ্রিয়তা পায় অনেক দেরিতে। প্রথম লাইভ শো করার সময়ে দর্শক তেমন পছন্দ করে নাই গানগুলো, কিন্তু শেষের দিকে এসে Meat Loaf বাজি মেরে দেয়। তার ২য় লাইভ পারফরমেন্সে তার প্রমাণ মেলে। তেমনি এক কনসার্টের সময়ে সে পা ভেঙ্গে ফেলে। গানের জগত থেকে দূরে সরে যেতে বাধ্য হয়ে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ে আর সেইসময়ে কোকেইনে আসক্ত হয়। এমনকি আত্মহত্যার চিন্তাও সেই সময়ে তার মাথায় ঢুকেছিল।

Back out of Hell II: Back into Hell

১৯৯৩ সালে রিলিজ হওয়া এই অ্যালবামটি ১৪ মিলিয়নের বেশি বিক্রি হয়েছে এই অ্যালবামটি। I’d do anything for love (But I wont do that) গানটি ২৮টি দেশে নাম্বার ওয়ান ছিলো। টানা সাত সপ্তাহ ইউকে টপ চার্টের শীর্ষে ছিল। আমেরিকাতে প্ল্যাটিনাম সার্টিফিকেট জিতে নেয় এই গানটি। গ্রামি আওয়ার্ডও জিতে নেয় এই গানটি। Michael Bay (ডিরেক্টর, প্রডিউসার, Transformers, Armageddon, The Rock, Pearl Harbour, Bad Boys, and Bad Boys II) এই গানটি সহ নিচে উল্লেক করা গান দুইটির ডাইরেক্টর ছিলেন।

I’d do anything for love (But I wont do that) গানটির মিউজিক ভিডিও Beauty and the Beast (ফেয়ারি টেল) and The Phantom of the Opera (ভুতুরে ফিকশন বলা যায়) অবলম্বনে বানানো। মিউজিক ভিডিওটিতে দেখা যায় নায়ক একজন ভুত (ভুত না বলে অন্য একটা শব্দ কি দেয় যায় চিন্তা করতেছি)। সে একটি মেয়ের পিছু নেয়। অবশেষে মেয়েটিকে যখন পায় তখন আয়নায় নিজের ভুতুরে চেহারা দেখে পিছিয়ে আসে। তারপর মেয়েটি তার চেহারা দেখে প্রথমবারের মত। আর মুখে হাত বুলিয়ে দেয়। তখন ভুত মিয়া আবার মানুষ হয়ে যায়।



অডিও লিঙ্ক

Objects in the Rear View Mirror May Appear Closer Than They Are গানটিও বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। টপ চার্টে বেশ কিছুদিন ঘোরাঘুরিও করেছিল। এই গানটির লিরিক্সে Meat Loaf এর ছেলেবেলার কিছু ঘটনা চলে আসে। গ্রীষ্ম, বর্ষা আর বসন্ত ঋতু দিয়ে লিরিক্সটি সাজানো হয়। গানটিতে একজন বয়স্ক মানুষের কথা বলা হয় যাকে তার পুরান স্মৃতি তাড়া করে বেড়ায়। এই গানটিতে Robert Patrick (Terminator 2 এর ভিলেন) অভিনয় করেন।


Rock and Roll Dreams Come Through গানটি বিলবোর্ড টপ ১০০ তে ১৩ নাম্বারে আসে। ইউকে তেও বেশ সাফল্য পায়। লিরিক্সে মূলত বুঝানো হয়েছে গান জীবনে কত কিছু দিতে পারে। মিউজিক ভিডিওটিরে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি অভিনয় করেছিল। ঘর পালানো জোলিকে ভবিষ্যতবক্তা Meat Loaf সান্ত্বনা দেয়, দুর্বৃত্বদের হাত থেকে বাঁচায়। মেয়েটিকে দেখায় বিভিন্ন ভবিষ্যত, একটি বাচ্চাকে বাঁচায় গাড়ি বোমা থেকে। অবশেষে লাস্ট সিনে মেয়েটি তার বাবা মায়ের কাছে ফিরে যায়।


এখন পর্যন্ত সর্বমোট ১১ ট অ্যালবাম রিলিজ হয়েছে Meat Loaf এর। সর্বশেষ অ্যালবাম Bat out of Hell III: The Monster Is Loose ২০০৬ সালে রিলিজ হয়।

আরো কিছু গান

Meat Loaf & Marion Raven - It's all coming back to me now

Meat Loaf & Bonnie Tyler - Total Eclipse of the Heart



লিরিক্সঃ I’d do anything for love (But I wont do that)

And I would do anything for love,
I'd run right into hell and back,
I would do anything for love,
I'll never lie to you and thats a fact.

But I'll never forget the way you feel right now
- Oh no - no way - I would do anything for love,
But I wont do that, I wont do that, anything for love,
I would do anything for love, I would do anything for love,
But I wont do that, I wont do that.

Some days it dont come easy,
Some days it dont come hard
Some days it dont come at all,
And these are the days that never end.

Some nights you breath fire,
Some nights your carved in ice,
Some nights your like nothing I've ever seen before, Or will again.

Maybe Im crazy, But it's crazy and it's true,
I know you can save me, No one else can save me now but you.

As long as the planets are turning,
As long as the stars are burning,
As long as your dreams are coming true - You better believe it! -

That I would do anything for love,
And I'll be there until the final act -
I would do anything for love!
And I'll take a Vow and Seal a pact -

But I'll never forgive myself if we dont go all the way - Tonight -
I would do anything for love!
I would do anything for love,
I would do anything for love,
But I wont do that, I wont do that...

I would do anything for love,
Anything you've been dreaming of,
But I just wont do that...

Some days I pray for Silence,
Some days I pray for Soul,
Some days I just pray to the God of Sex and Drums and Rock 'N' Roll.

Some nights I lose the feeling,
Some nights I lose control,
Some nights I just lose it all when I watch you dance and the thunder rolls.

Maybe I'm lonely, And thats all I'm qualified to be,
There's just one and only, The one and only promise I can keep.

As long as the wheels are turning,
As long as the fires are burning,
As long as your prayers are coming true - You better believe it - !

That I would do anything for love!
And you know it's true and thats a fact,
I would do anything for love!
And there'll never be no turning back -

But I'll never do it better than I do it with you,
So long - So long - I would do anything for love,
I would do anything for love,
I would do anything for love,
I would do anything for love,
But I wont do that, I wont do that!

I would do anything for love,
Anything you've been dreaming of,
But I just wont do that...

But I'll never stop dreaming of you
Everynight of my life - No Way -

I would do anything for love,
I would do anything for love,
I would do anything for love,
But I wont do that, I wont do that!

Girl : Will you raise me up?
Will you help me down?
Will you help get me right out of this Godforsaken town?
Will you make it a little less cold?

Boy : I can do that!
I can do that!

Girl : Will you hold me sacred?
will you hold me tight?
Can you colorize my life I'm so sick of black and white?
Can you make it a little less old?

Boy : I can do that!
I can do that!

Girl : Will you make me some magic, with your own two hands?
Can you build an Emerald city with these grains of sand?
Can you give me something that I can take home?

Boy : I can do that!
I can do that!

Girl : Will you cater to every fantasy that I've got?
Will ya hose me down with holy water - if I get too hot - ?
Will you take me to places that I've never known?

Boy : I can do that!
I can do that!

Girl : Afert a while you'll forget everything,
It was a brief interlude, And a midsummer night's fling,
And you'll see that it's time to move on.

Boy : I wont do that!
I wont do that!

Girl : I know the territory - I've been around,
It'll all turn to dust and we'll all fall down,
And sooner or later you'll be screwing around.

Boy : I wont do that!
I wont do that!

Anything for love, I would do anything for love,
I would do anything for love,
But I wont do that, I wont do that.


লিরিক্সঃ Objects in the Rear View Mirror May Appear Closer Than They Are


লিরিক্সঃ Rock and Roll Dreams Come Through


সাহায্য নেয়া হয়েছে
1
1
2
3
4
5
6
7

বিস্তারিত পড়ুন...

It Must Have Been Love--Roxette

লিখেছেন রাশেদ | Monday, March 17, 2008 | | 0 মন্তব্য »

কিছুই করার পাইতেছি না। ফ্রিজে কিচ্ছু নাই। টুনা খামু না। লৌড়াইতে হবে আবার পিজা খাবার জন্য।

এই গানটি সুইডিশ ব্যান্ড Roxette এর গাওয়া। ১৯৯০ সালে জুলিয়া রবার্টস আর রিচার্ড গিয়েরের Pretty Woman ছবির সাউন্ডট্র্যাক এইটা। এই ব্যান্ডের সবচেয়ে ব্যবসায়িক সফল গানও বলা যায় এটিকে। ১৯৮৭ সালে প্রথম এই সিঙ্গেলসটি রিলিজ হয় ক্রিসমাস উপলক্ষে। মুভিটির জন্য লিরিক্সে একটু রদবদল করা হয়। "and it's a hard Christmas day" বদলে "and it's a hard winter's day" করা হয়।

এদের আর যেইসব গান আমি পছন্দ করিঃ The look, Joyride, Listen to your heart.

লিরিক্স

Lay a whisper on my pillow
Leave the winter on the ground
I wake up lonely, theres air of silence
In the bedroom and all around

Touch me now, I close my eyes
And dream away...

It must have been love, but it's over now
It must have been good, but I lost it somehow
It must have been love, but it's over now
From the moment we touched till the time had run out

Make believing we're together
That I'm sheltered by your heart
But in and outside I turn to water
Like a teardrop in your palm

And it's a hard winter's day
I dream away...

It must have been love, but it's over now
It was all that I wanted, now I'm living without
It must have been love, but it's over now
It's where the water flows, it's where the wind blows

It must have been love, but it's over now
It must have been good, but I lost it somehow
It must have been love, but it's over now
From the moment we touched till the time had run out


অডিও লিঙ্ক

বিস্তারিত পড়ুন...

Enigma একটি রিভিউ

লিখেছেন রাশেদ | Sunday, March 16, 2008 | | 0 মন্তব্য »

Enigma ব্যান্ডটি শ্রোতারের কাছে জনপ্রিয় তাদের সম্পুর্ণ ভিন্নধর্মী স্টাইলের জন্য। সবকিছুতেই এক নতুনের ছোঁয়া এনে দিয়েছিল তারা। তাদের কারনেই Enigmatic Music নামে জন রা (Genre) শুরু হয় মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে। এই ব্যান্ডের যাত্রা শুরু ১৯৯০ সালে। Michael Cretu, David Fairstein and Frank Peterson ছিলেন এই ব্যান্ডের মূল চালিকাশক্তি। অবশ্য Cretu এর স্ত্রীও বেশ কিছু গানে কন্ঠ দিয়েছেন।

রোমানিয়ান Cretu যদিও বেশ আগে থেকেই গানের জগতে ছিলেন কিন্তু Enigma এর মাধ্যমেই তিনি মূলত জনপ্রিয়তা পান। তাঁর স্ত্রীর (Sandra) বেশ কিছু সিঙ্গেলস জনপ্রিয় হয়েছিল, যেমন Maria Magdalena গানটি ২১ দেশে নাম্বার ওয়ান হয়েছিল এক সময়।


MCMXC a.D

এটি রিলিজ হয় ১৯৯০ সালে। MXMXC a.D (রোমানিয়ান ভাষায় ১৯৯০) নামের এই কনসেপ্ট অ্যালবামটি করার প্রেরণা তাঁরা পান Art of Noise and Pink Floyd এর কাছ থেকে। নতুন ঘরানার গানের ভুবনে এটিকে অন্যতম সেরা বলে এখনো বিবেচনা করা হয়। যৌনতা আর ধর্ম এই অ্যালবামের প্রধান থিম। Sadness I গানটিতে Marquis de Sade নামক অষ্টাদশ শতাব্দীর দার্শনিকের (পর্নগ্রাফিক দার্শনিকও বলা যেতে পারে, Sadism শব্দটি তাঁর নাম থেকেই উৎপত্তি) বিশ্বাসকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়। এছাড়া খ্রীস্টান ধর্ম ও মহাবিশ্বের সমাপ্তি বিষয়গুলোও উঠে এসেছে বিভিন্ন গানের ফাঁকে ফাঁকে। Principles of Lust (Sadness এর প্রথম অংশ) গানটিতে গ্রেগরিয়ান চ্যান্ট (দশম শতাব্দীর ধর্মীয় অনুষ্টান) আর ড্রামের মিলন ঘটানো হয় মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে সম্ভবত প্রথমবারের জন্য। গ্রেগরিয়ান চ্যান্ট, অপেরা মিউজিশিয়ান, ফ্রেঞ্চ ভোকাল, জাপানি Shakuhachi বাঁশি, Sandra এর মোলায়েল ব্যাকগ্রাউন্ড, অ্যারাবিয়ান স্টাইলের সংযোজন, Book of Revelation (Revelation of Jesus Christ নামেও পরিচিত, ধর্মীয় গ্রন্থ) থেকে অংশবিশেষের ব্যবহার ইত্যাদি কারনে অ্যালবামটি তুমুল জনপ্রিয়তা পায় নতুন একটি ধারার সূচনার জন্য। ৪১ টি দেশে এই অ্যালবামটি সেরা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিল সে সময়ে। আমেরিকান বিলবোর্ড ২০০ এ সর্বমোট ২৮২ সপ্তাহ জুড়ে দাপটে রাজত্ব করে। অ্যালবামটি ডাবল প্ল্যাটিনাম উপাধি অর্জন করে USA তে। Sadness I জার্মানিতে সর্বকালের সবচেয়ে বেশি বিক্রিত সিঙ্গেলসের খ্যাতি পায়। দুইটি মুভিতে (Single White Female and Boxing Helena) এখান থেকে কিছু গান ইউজ করা করা হয়।

অবশ্য এই অ্যালবামটি কয়েকটি দেশে ব্যান করা হয়েছিল। গ্রেগরিয়ান চ্যান্ট ব্যবহারের জন্য একটি ধর্মীয় গ্রুপকে বিশাল অঙ্কের জরিমানাও দিতে হয় তাদের। Principles of Lust গানটির মিউজিক ভিডিও প্রচার করা বন্ধ করে দেয় MTV. কিছু সমালোচক ব্লাশফেমি বলে আখ্যা দেয় গানগুলোকে। ডাচ ন্যাশনাল রেডিও তিনটি বম্ব অ্যাটাকের হুমকিও পেয়েছিল। তারপরও সাধারন শ্রোতাদের কাছে তুমুল জনপ্রিয় হয় অ্যালবামটি। Cretu রোলিং স্টোন ম্যাগাজিনকে বলেছিলেন “MCMXC a.D. was like revenge against everything I was hearing. I didn't want to write songs, I wanted to write moods”. নিজেকে একজন নাস্তিক আখ্যা দিয়ে তিনি আরও বলেন “The institution of the Church doesn't really fit with our times. I believe in destiny, which is a much more powerful belief”.

অডিও লিঙ্ক

Find Love

The principles of lust are easy to understand
Do what you feel, feel until the end
The principles of lust are burned in your mind
Do what you want, do it until you find love
[[[The principles of lust are easy to understand
Do what you feel, feel until the end
The principles of lust are burned in your mind
Do what you want, do it until you find love
I am to come...


The Cross of Changes

১৯৯৩ সালে এটি রিলিজ হয়। এই অ্যালবামের Return to Innocence গানটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পায়। এই গানটি বেশ কিছু মুভিতে ব্যবহার করা হয়েছিল। প্রথম অ্যালবামে ব্যবহার করা গ্রেগরিয়ান চ্যান্ট বাদ দিয়ে এখানে তাঁরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের আদি চ্যান্ট ব্যবহার করেন। যেমন উপরে উল্লেখ করা গানটিতে Ami Chant ( আদি তাইওয়ানিজ) ব্যবহার করা হয়। দশ থেকে বারো মিলিয়ন কপি বক্রি হয়েছিল এই অ্যালবামের। I Love You, I'll Kill You গানটি লেড জেপলিনের The Battle of Evermore গানটির ধাঁচে করা। Sliver ছবিটির "Carly's Song" and "Carly's Loneliness গানদুটি (Cretu কর্তৃক লিখিত) মিলে Age of Loneliness গানটি করা হয়। ইউ২, জেনেসিস, জন বোনহ্যাম, পিটার গ্যাব্রিয়েল থেকেও কিছু মিউজিক ধার নেয়া হয়েছে। Vangelis Papathanassiou ( গ্রিক কম্পোজার, ২০০২ ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ থিমের কম্পোজার) এর করা নাসার মার্স ওডেসি মিশনের (২০০১) থিম মিউজিকটিরও কিছু অংশ The Eyes of Truth এ ব্যবহার করা হয়।


Return to Innocence

Love - Devotion
Feeling - Emotion
Don't be afraid to be weak
Don't be too proud to be strong
Just look into your heart, my friend
That will be the return to yourself
The return to innocence.
(The return to innocence)
And if you want, then start to laugh
If you must, then start to cry
Be yourself, don't hide
Just believe in destiny.
Don't care what people say
Just follow your own way
Don't give up, and use the chance
To return to innocence.
That's not the beginning of the end
That's the return to yourself
The return to innocence.
(That's the return to innocence)


Le Roi Est Mort, Vive Le Roi!

ফ্রেঞ্চ ভাষায় Le Roi Est Mort, Vive Le Roi! মানে হচ্ছে The King is Dead, Long Live the King! (১৪৪২ সালে প্রথমবারের মত ফ্রান্সে চালু হয়)। ১৯৯৬ সালে মুক্তি পাওয়া এই অ্যালবামটি সেই সময়ে পুরো ইউরোপে ৩য় স্থান দখল করে। এই অ্যালবামটিকে ধরা হয় প্রথম দুটি অ্যালবামের ব্রেইন চাইল্ড হিসেবে যার ইঙ্গিত দেয়া হয় Third of Its Kind গানটিতে। এটি ১১৯৮ সালে গ্র্যামি আওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হয়েছিল। গ্রেগরিয়ান আর ট্রাইবাল চ্যান্টের প্রভাব এই অ্যালবামটিতেও দেখা যায়। এছাড়া মহাশূন্য অভিযানের কিছু সাউন্ডের ইউজও লক্ষনীয়। Beyond the Invisible গানে ল্যাটভিয়ান চ্যান্ট ব্যবহার করা হয়। এই গানটির মিউজিক ভিডিওটি ইউকে তে ধারন করা। ফ্রেঞ্চ আইস স্কেটিং দম্পত্তিকে দিয়ে করা ভিডিওটির জন্য আলাদাভাবে আইস স্কেটিং মাঠের ব্যবস্থা করা হয়।

Beyond The Invisible

I look into the mirror
See myself, I'm over me
I need space for my desires
Have to dive into my fantasies
I know as soon as I'll arrive
Everything is possible...
Cause no one has to hide
Beyond the invisible
Sajaja brammani totari ta, raitata raitata, radu ridu raitata, rota
Close your eyes...
Just feel and realize
It is real and not a dream
I'm in you and you're in me
It is time
To break the chains of life
If you follow you will see
What's beyond reality
Ne irascaris Domine,
ne ultra memineris iniquitatis.
Ecce civitas Sancti facta est deserta:
Sion deserta facta est:
Jerusalem desolata est.
Domus sanctificationes tuae et gloriae tuae...
Sajaja brammani totari ta, raitata raitata, radu ridu raitata, rota
Close your eyes...
Just feel and realize
It is real and not a dream
I'm in you and you're in me
It is time
To break the chains of life
If you follow you will see
What's beyond reality
Close your eyes...
Just feel and realize
It is real and not a dream
I'm in you and you're in me
It is time
To break the chains of life
If you follow you will see
What's beyond reality


The Screen Behind the Mirror

এটিকে Enigma র বেশ ম্যাচিউরড অ্যালবাম হিসেবে ধারনা করা হয়। মডার্ন থিমের আধিক্যও নজরে পরে। ১৯৯৯ সালে মুক্তি পাওয়ার পরে এ অ্যালবামটি সমালোচনার মুখে পরে জার্মান কম্পোজার Carl Orff এর Carmina Burana (যা ১৮০৩ সালে ব্যাভারিয়ান মনাসটারি থেকে উদ্ধার করা Burana Codex, যাতে ১১৯ টি পাতার উপরে সর্বমোট ২২৮ টি কবিতা ছিল যার রচনাকাল ধরা হয় ১২০০ থেকে ১২৩০ সাল, এর কিছু কবিতা নিয়ে কম্পোজ করা) সংকলনের অতিরিক্ত ব্যবহারের জন্য (১১ টি গানের মাঝে ৪ টিতে বব্যহার করা হয়েছিল)। Vangelis Papathanassiou এর একটি গানের ধাঁচে অ্যালবামটি শুরু হয়। জাপানি Shakuhachi বাঁশি আবারো এই অ্যালবামে ইউজ করা হয়। তাছাড়া গ্রেগরিয়ান চ্যান্টের রিভার্সও লক্ষনীয়। বিখ্যাত পাঁচ এলিমেন্টের দুইটির (আগুন ও পানি) সিম্বোলাইজ করা হয় একটি গানে। Gravity of Love গানটিতে লেড জেপলিনের একটি গানের ড্রামস ব্যবহার করা হয়। এই গানের মিউজিক ভিডিওটি ১৯৩০ সালের একটি মাসকারেড বলের (Masquerade ball, মুখোসসহ পার্টি) কাহিনী দেখানো হয়। Push the limit গানের মিউজিক ভিডিওতে দেখানো হয় এক ছেলে তার বান্ধবীকে নিয়ে কম্পিউটার গেম খেলতে বসে (তলোয়ার যুদ্ধ)। একই সাথে ব্যাকগ্রান্ডে মাঝে মাঝে দেখানো হয় তারা পরস্পরকে আদর করছে আর তলোয়ার যুদ্ধে একে অন্যকে আক্রমন করে যাচ্ছে; আবার গেমের মধ্যে একে অপরকে আঘাত করে বাস্তবে অবাক দৃষ্টিতে তাকাচ্ছে। ৫ মিলিয়নের বেশি কপি বিক্রি হয় এই অ্যালবামের।

Silence Must Be Heard

Look into the others' eyes, many frustrations
Read between the lines, no words, just vibrations
Don't ignore hidden desires
Pay attention, you're playing with fire
Silence must be heard, noise should be observed
The time has come to learn that silence...silence must be heard
Or diamonds will burn, friendly cards will turn
Cause silence has the right to be heard
People talk too much for what they have to say
Words without a meaning, they are fading away
Silence must be heard, noise should be observed
The time has come to learn, that silence...silence must be heard
Or diamonds will burn, friendly cards will turn


Cause silence has the right to be heard.
Silence must be heard...
Silence must be heard, noise should be observed (etc.)


Voyageur

২০০৪ সালে রিলিজ হওয়া এই অ্যালবামে আগের চারটি অ্যালবামের কোন রেশ পাওয়া যায়নি। জাপানি Shakuhachi বাঁশি, গ্রেগরিয়ান বা অন্য কোন চ্যান্ট সম্পূর্ন অনুপস্থিত এই অ্যালবামে। এটি তাদের সবচেয়ে দীর্ঘ অ্যালবামও বটে। মানুষের দৈনন্দিন জীবন, পারস্পরিক সম্পর্ককে ফোকাস করা হয়। এই অ্যালবামটি শ্রোতাদের কিছুটা হতাশ করে আগের কোন কিছুই খুঁজে না পেয়ে।


A Posteriori

ল্যাটিন এই শব্দটির মানে হলো after the fact যা দার্শনিকবিদ্যার epistemological শাখার অন্তর্গত। ২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া এই অ্যালবামে আগের কোন কিছুই একেবারেই খুঁজে পাওয়া যায় নি (Enigmatic Horn ছাড়া, যা আগের প্রতিটি অ্যালবামের শুরুতে ব্যবহার করা হয়েছে)। Hello and Welcome গানটি ২০০৫ সালে প্রথম রিলিজ করা হয়। এই অ্যালবামটি Cretu এর নিজস্ব মোবাইল স্টুডিও Alchemist এ রেকর্ড করা। প্রথম গান Eppur si muove (And yet it moves) গ্যালিলিওর মৃত্যুদন্ড পাওয়ার ঘটনাকে রেফার করে। প্রতিটি গান সম্পুর্ন ভিন্ন একটা আমেজ দেয়। আগের থেকে ভিন্ন ট্র্যাকে গানগুলোকে নিয়ে যাবার কারন হিসেবে Cretu বলেন “It would bore me to death if I just copied myself over and over”. এই অ্যালবামে লিউনার্দো দ্য ভিঞ্চি থেকে শুরু করে জুলভার্ন, ইটি, অ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি, ইত্যাদি অনেক কিছুর প্রসংগ ফুটিয়ে তোলা হয়।


এই অ্যালবামগুলো ছাড়াও তাদের আরো বেশ কিছু সিঙ্গেলস রয়েছে, এছাড়া 15 Years After নামে একটি পুরান অ্যালবামের কালেকশন, কিছু নতুন গানসহ, ২০০৫ সালে রিলিজ হয়।



আরো কিছু তথ্য

১. Sadness I ব্যবহার করা হয় Charlie’s Angels মুভিতে
২. Return To Innocence and Sadeness part I ইউজ হয় Exit to Eden মুভিতে
৩. Gravity of Love ব্যবহার করা হয় The Scorpions King ছবির ট্রেলারে। এছাড়া জনপ্রিয় গেম Final Fantasy IX এর থিম এই গানটি
৪. The Eyes of Truth গানটি The Matrix ছবির ট্রেলারে বহুল ব্যবহৃত হয়
৫. Return to Innocence গানটি Man of the House মুভির শেষে ইউজ করা হয়
৬. Smell of Desire গানটি Bounce মুভির ট্রেলারে ইউজ হয়
৭. One Night Stand, Body of Evidence আর Eraser ছবির ট্রেলারেও Enigma এর গান দেখা যায়
৮. Baywatch এও I Love You...I'll Kill You গানটি ব্যবহার করা হয়।


সাহায্য নেয়া হয়েছেঃ
১.
২.
৩.
৪.
৫.
৬.
৭.
৮.
৯.
১০.
১১.
১২.
১৩.
১৪.


এই পোস্টটিতে কিছু গানের লিঙ্ক দেয়া আছে।

বিস্তারিত পড়ুন...

স্বীকারক্তি

লিখেছেন রাশেদ | Friday, March 14, 2008 | | 0 মন্তব্য »

ছোট্ট বেলায় হয়ত মেতেছিলে পুতুল খেলায়...আর একুশে এসে পেলে আমাকে...ভেবে নিলে আমাকে তোমার সেই পুতুল...সাজালে তোমার জীবন আমাকে নিয়ে তেমনি করে...দেখেছিলে শুধু আমার গুণগুলো...ভুলেও চোখে পড়েনি তোমার প্রতি আমার বিরক্তি...হ্যা! তোমার অনেক আচরণ আমাকে বিরক্তি দিত...তোমার অনেক কথা ন্যাকামো লাগতো...তোমার সারাক্ষণ আমার উপরে লেপ্টে থাকা সহ্য হত না...তোমার ২৪ ঘন্টা আমি তুমি আমি তুমি ভাল্লাগতো না...তোমার সবকিছু তুচ্ছ করে দেয়া অসীম ভালোবাসা ভালো লাগতো না...জানি ভালোবাসার স্কেলে তুমি দশে এগারো পাবা...তাও ভালো লাগতো না।

তাও তো তোমাকে ভালোবেসেছিলাম।

আমি কেন এমন?

বিস্তারিত পড়ুন...

বোকা মেয়ে!

লিখেছেন রাশেদ | Friday, March 14, 2008 | | 0 মন্তব্য »

পারব না হতে আমি
আর দশটা প্রেমিকের মত,
পারব না করতে আমি
দিনরাত পুতুপুতু।
তোমার অতিরিক্ত ন্যাকামি
সহ্য হয় না আর,
সারাক্ষণ আমি তুমি আমি তুমি
ভালো লাগে না আর।

তোমার ভালোবাসার চাদরে
আমার যে দম বন্ধ হয়ে আসে,
বিরক্তির শেষ সীমানায় পৌঁছে
খুঁজে বেড়াই পালাবার রাস্তা।

বোকা মেয়েটা কেন যে বুঝে না
তারে আর আমি ভালোবাসি না।
যতই তুমি লেপ্টে থাকো
মজাটুকুই শুধু বুঝি,
ভালোবাসা ঘোড়ার ডিম
কবেই গেছি ভুলে!

অসহ্য অসহ্য বিরক্তিকর তুমি
জানাতে চাই তাই গুডবাই,
নৌকা ভেড়াবো এবার নতুন ঘাটে
পালে হাওয়া লাগিয়েছি তাই।

বিস্তারিত পড়ুন...

Another Brick in the Wall--Pink Floyd

লিখেছেন রাশেদ | Thursday, March 13, 2008 | | 0 মন্তব্য »

এই ট্রিলোজিটি The Wall অ্যালবামের গান আর বলা যায় Pink Floyd এর সবচেয়ে জনপ্রিয় গানগুলোর একটি। এই গানটি অনুসরণ করে নোভা ১৯৯২-৯৩ সালের দিকে রাজাকারের তালিকা চাই নামে একটি টাইটেল সং বের করে। অরিজিনাল গানটির লিরিক্স রজার ওয়াটারসের লেখা।

অ্যালবামটি ১৯৭৯ সালে রিলিজ হয়। এই অ্যালবামটিকে মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম জনপ্রিয় কনসেপ্ট অ্যালবাম হিসেবে ধরা হয়। এই অ্যালবামের উপর ভিত্তি করে Pink Floyd The Wall নামে একটি সিনেমা মুক্তি পায় ১৯৮২ সালে। এই অ্যালবামের গানগুলোতে তুলে ধরা হয় যুদ্ধ বিদ্ধস্ত ইংল্যান্ডে জন্ম নেয়া পিঙ্ক ফ্লয়েড নামের এক কিশোরের জীবনী। ছেলেটি জন্মের পরে দেখতে পায় তার বাবার মৃত্যু আর মায়ের অতিরিক্ত খবরদারি। আস্তে আস্তে সে নিজেকে গুটিয়ে নেয় একটি দেয়ালের আড়ালে। বাবাবিহীন শিশুবেলা, মায়ের অন্তর্মুখী মনোভাব, দেশের জন্য যুদ্ধে যেয়ে মৃত্যুবরণ করা বাবাকে দেয়া ডেথ সার্টিফিকেটে রাবার স্ট্যাম্প মেরে দেশের রাজার দায়িত্ব সমাপ্তি, পেশাগত জগতে ব্যর্থতা, দূরে সরে যাওয়া স্ত্রী, ড্রাগ অ্যাডিক্ট হওয়া ইত্যাদি ঘটনাগুলোতে সে নিজের চারপাশে থাকা দেয়ালটি আরো বড় করতে থাকে সময়ের সাথে সাথে। আর এইসব কিছুই ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে গানগুলোর মাধ্যমে।

Another brick in the wall গানটিতে পিঙ্কের কৈশোর ও যৌবনের কিছু অংশ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

গানটির প্রথম অংশে বলা হয় পিঙ্কের বাবার মৃত্যুর কথা। আর বাবার মৃত্যু তার মধ্যে কিভাবে নিজের চারপাশে দেয়াল তৈরিতে সাহায্য করে সে কথা। এই অবস্থার জন্য বাবার প্রতিও তার ক্ষোভ সে প্রকাশ করে। সেজন্য Daddy, what d'ya leave behind for me? লাইনটি সে ক্ষোভের সাথে রাগের সাথে উচ্চারণ করে।

Daddy's flown across the ocean
Leaving just a memory
A snapshot in the family album
Daddy what else did you leave for me?
Daddy, what d'ya leave behind for me?
All in all it was just a brick in the wall.
All in all it was all just bricks in the wall.


গানের ২য় অংশটুকু সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়েছিল। এই অংশের মধ্য দিয়ে কঠোর শিক্ষা ব্যবস্থা বিশেষ করে বোর্ডিং স্কুলের মিলিটারি স্টাইলের নিন্দা জানানো হয়। সেজন্য গানটি বেশ কিছু দেশে ব্যান করে দেয়া হয়েছিল। দক্ষিন আফ্রিকাতে কালো ছাত্ররা এই গানটি বর্নবাদ ও সরকারি শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে ব্যবহার করে। যার ফলস্বরূপ সরকার মে ২, ১৯৮০ সালে গানটি ব্যান করে দেয়। এই অংশে পিঙ্কের স্কুলের কিছু চিত্র তুলে ধরা হয়। কিভাবে স্কুলের টিচাররা তার উপর অত্যাচার চালায়। মিউজিক ভিডিওটিতে দেখানো হয় তার কবিতার বই পড়ার অভ্যেস থাকার জন্য বুড়ো শিক্ষক কিভাবে সবার সামনে তাকে উপহাস করে। এরকম হেনস্থা হয়ে সে স্বপ্ন দেখে তার সহপাঠীদের নিয়ে এই ধরনের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয় ও বিদ্রোহ করে। স্বপ্নে বিভোর পিঙ্ক তার চারদিকে আস্তে আস্তে গড়ে ওঠা দেয়ালের উচ্চতা বাড়াতে থাকে। মূল গানে স্টুডিওর পাশের একটি স্কুলের (Islington Green ,Islington, England) ২৩ জন শিক্ষার্থীকে দিয়ে কোরাস গাওয়ানো হয়। আর ওভারডাবড করা হয় যেন মনে হয় অনেক বেশি মানুষ গাচ্ছে। অবশ্য এই শিক্ষার্থীদের দেয়া অর্থের পরিমান নিয়ে বেশ বিতর্কের সৃষ্ঠি হয়েছিল। তাছাড়া স্কুল কর্তৃপক্ষও সমালোচনার মুখে পরে শিক্ষার্থীদের এই গান গেতে দেবার জন্য। এই অংশটির যে মিউজিক ভিডিও বানানো হয়েছে তাতে অরিজিনাল গানের একটু রদবদল করা হয়। The Happiest Days Of Our Lives নামের আরেকটি গানের সাথে মিলিয়ে করা এই অংশটুকুর মিউজিক ভিডিও মনে হয় আমরা সবাই দেখেছি। এই অংশটুকু লেখার জন্য রজার ওয়াটারসের পঞ্চাশ দশকের নিজের স্কুলের তিক্ত স্মৃতি উৎসাহ যোগায়। নিচে দেয়া ইউটিউবের গানটি The Happiest Days Of Our Lives আর Another Brick in the Wall Part II মিলে করা।

The Happiest Days of Our Lives

When we grew up and went to school
There were certain teachers who would
Hurt the children in any way they could
By pouring their derision upon anything we did
And exposing every weakness
However carefully hidden by the kids
But in the town, it was well known
When they got home at night, their fat and
Psychopathic wives would thrash them
Within inches of their lives.

Another Brick in the Wall Part II

We don't need no education
We don't need no thought control
No dark sarcasm in the classroom
Teachers leave them kids alone
Hey! Teachers! Leave them kids alone!
All in all it's just another brick in the wall.
All in all you're just another brick in the wall.
We don't need no education
We don't need no thought control
No dark sarcasm in the classroom
Teachers leave them kids alone
Hey! Teachers! Leave those kids alone!
All in all you're just another brick in the wall.
All in all you're just another brick in the wall.


গানটির শেষ অংশে দেখানো হয় পিঙ্ক তার চারপাশে ধীরে ধীরে গড়ে তোলা দেয়াল সম্পুর্ণ করার সিদ্ধান্ত নেয়। সে তার চারপাশের মানুষজনকে “bricks in the wall” হিসেবে কল্পনা করে।


I don't need no arms around me
And I don't need no drugs to calm me.
I have seen the writing on the wall.
Don't think I need anything at all.
No! Don't think I'll need anything at all.
All in all it was all just bricks in the wall.
All in all you were all just bricks in the wall.


এই লেখাটির জন্য সাহায্য নেয়া হয়েছে:
১. Introduction to the Wall
২. The Wall
৩. Another Brick in the Wall
৪. Another Brick In The Wall (part II)
৫. Just another brick in the wall?

বিস্তারিত পড়ুন...

Runaway Train--Soul Asylum

লিখেছেন রাশেদ | Wednesday, March 12, 2008 | | 0 মন্তব্য »

Soul Asylum আমেরিকান অল্টারনেটিভ রক ব্যান্ড। যদিও ১৯৮৩ সালে এই ব্যান্ডটি যাত্রা শুরু করে কিন্তু তারা সবচেয়ে বড় সাফল্যের মুখ দেখে নব্বই দশকের শুরুতে। ১৯৯২ সালে তারা রিলিজ করে Grave Dancers Union নামের অ্যালবামটি। জোড়া প্লাটিনামপ্রাপ্ত এই অ্যালবামটির সবচেয়ে জনপ্রিয় গান ছিল Runaway Train. এই গানটি ঐ সময়ে গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড জিতে নেয়।

এই গানটির মিউজিক ভিডিওটি সম্পুর্ণ ভিন্নধর্মী। সমাজের কিছু বাস্তব চিত্র, হারিয়ে যাওয়া বা ঘর পালানো শিশু কিশোরদের কথা তুলে ধরা হয়েছে। একদম শুরুতে সাদা কালো স্ক্রিনে দেখানো হয় “There are over one million youth lost on the streets of America” লেখাটি। ঠিক তার পরেই একটি অল্প বয়স্ক মেয়েকে ডুবে যেতে দেখা যায় আর ব্যাকগ্রাউন্ডে মূল ভোকাল ডেভ পারনারকে বলতে শোনা যায় যে এই মেয়েটি ১১০ বারের বেশি ঘর ছেড়ে পালিয়েছে। অবশ্য এই অতিরিক্ত ফুটেজটুকু বেশিরভাগ সময়েই দেখানো হয় না টিভি কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়িক মনোভাবের কারনে।

কোরাস চলার সময়ে হারিয়ে যাওয়া অল্প বয়সীদের ছবি আর নাম হারিয়ে যাবার সময়সহ তুলে ধরা হয় ভিডিওটিতে। রাস্তাঘাটে কিভাবে অল্প বয়সী মেয়েরা নির্যাতনের স্বীকার হয় তাও ফুটিয়ে তোলা হয় এই গানটিতে। তারপর গানের ফাঁকে ফাঁকে দেখানো হয় একজন বয়স্ক লোক বাসায় দুর্ব্যবহার করছে আর ঘরের বাইরে রাস্তাঘাটে দুর্ভাগা অল্প বয়সী মেয়েদের মধ্যে থেকে বাছাই করছে। এসব দেখে তার কিশোর ছেলে ঘর ছেলে পালায়। এছাড়া আরো দেখানো হয় বাচ্চাদের অপহরণের একটি দৃশ্য। এক বয়স্ক মহিলা একটি অল্পবয়সী মাকে অনুসরণ করতে থাকে আর সুযোগ বুঝে তার বাচ্চাটিকে তুলে নিয়ে যায়। এই বাচ্চাটির মিসিং সংবাদ দেখানোর মধ্যে দিয়ে গানটি শেষ হয়।

গানের শেষের একটি ফুটেজও তেমন দেখানো হয় না যেখানে ভোকাল দর্শকদের কাছে আবেদন জানায় যে কেউ যদি এই মিসিং বাচ্চাদের দেখে থাকে তাহলে যেন একটি নির্দিষ্ট নম্বরে জানানো হয়। দর্শক পাবলিক সার্ভিস অ্যানাউন্সমেন্টের সাথে মিউজিক ভিডিওটি গুলিয়ে ফেলতে পারে এই যুক্তি দেখিয়ে এমটিভি এই অংশটুকু বাদ দেয়।

এই গানটির অনেকগুলো ভার্শন আছে। আমেরিকাতে ৩ টি বের করা হয় যেগুলোতে সর্বমোট ৩৬ টি হারানো বাচ্চার নাম আর ছবি দেখানো হয়। অন্য আরো কিছু দেশে সেই দেশের কিছু মিসিং শিশুদের নিয়ে ভিডিওটি পুননির্মান করা হয়।

এভাবে মিসিং শিশু কিশোরদের প্রচারনার কারনে বেশ কয়েকজন তাদের বাবা মায়ের কাছে ফিরে যায়। ছবি দেখানো একজন মিসিং শিশু সম্পর্কে পরে তদন্ত করে বের হয় যে তার মা তাকে খুন করে পিছনের বাগানে পুঁতে রেখেছিল স্বামীর সাথে বাচ্চাটার দায়িত্ব নেয়া নিয়ে ঝগড়ার জের হিসেবে। অস্ট্রেলিয়ান ভার্শনে দেখানো কিছু শিশু কিশোরদের ব্যাপারে পরে জানা যায় যে তারা কুখ্যাত সিরিয়াল কিলিং কেস -Backpacker murders- এর শিকার।


লিরিক্স

Call you up in the middle of the night
Like a firefly without a light
You were there like a slow torch burning
I was a key that could use a little turning

So tired that I couldn't even sleep
So many secrets I couldn't keep
Promised myself I wouldn't weep
One more promise I couldn't keep

It seems no one can help me now
I'm in too deep
There's no way out
This time I have really led myself astray

CHORUS

Runaway train never going back
Wrong way on a one way track
Seems like I should be getting somewhere
Somehow I'm neither here no there

Can you help me remember how to smile
Make it somehow all seem worthwhile
How on earth did I get so jaded
Life's mystery seems so faded

I can go where no one else can go
I know what no one else knows
Here I am just drownin' in the rain
With a ticket for a runaway train

Everything is cut and dry
Day and night, earth and sky
Somehow I just don't believe it

CHORUS

Bought a ticket for a runaway train
Like a madman laughin' at the rain
Little out of touch, little insane
Just easier than dealing with the pain

Runaway train never comin' back
Runaway train tearin' up the track
Runaway train burnin' in my veins
Runaway but it always seems the same


লেখাটি রচনায় সাহায্য নেয়া হয়েছেঃ

উইকিপিডিয়া
লিরিক্স

বিস্তারিত পড়ুন...

টিট ফর ট্যাট

লিখেছেন রাশেদ | Tuesday, March 11, 2008 | | 0 মন্তব্য »

তুমি এত বোকা কেন
একলা একলা কাঁদ,
কেন তুমি জানালে না
তোমার সব কষ্ট,
হয়ত তাতে
তোমার আমার ইতিহাস
ভিন্ন কিছু হত!

যেদিন ছিলে পাশে
অবহেলা দিয়েছিলাম প্রতিনিয়ত,
দিনে দুপুরে কাঁদাতাম
রাতে ফোনে বকা দিতাম!

কেন করতাম জানি না
কোন আমোদ পেতাম কিনা
তাও বুঝি না!

খালি এইটুকুই বুঝতাম
আগ্রাসী এই বালক ছাড়া
তোমার কোন গতি নাই!

বালক তাই অতি উৎসাহে
ধরাকে সরা জ্ঞান করে,
তোমার সব অভিমানকে
নির্মমভাবে পায়ে দলে!

তুমি এত বোকা কেন
একলা একলা কাঁদ,
কেন তুমি জানালে না
তোমার সব কষ্ট,
হয়ত তাতে
তোমার আমার ইতিহাস
ভিন্ন কিছু হত!

হে মুর্খ বালক!
তুমি কি কোনদিন শুনো নাই
টিট ফর ট্যাট!

আজ তাইতো সে
অন্যের সংসার সামলায়,
আর বালক তুমি
অন্ধকারে ধুঁকে মর!

হে মুর্খ বালক!
তুমি কি কোনদিন শুনো নাই
টিট ফর ট্যাট!

বিস্তারিত পড়ুন...

দেখা করুম দেড়টায়
ঘুম ভাইঙ্গা দেখি বাজে একটা।
টয়লেটে দিলাম দৌড়
হায় কপাল!
ট্যাঙ্কিত নাই পানি,
কি আর করা
হইলাম আমি বিদেশি!


আইয়া মেইন রোডে
মেজাজ হইলো চরম বিলা!
বাসওয়ালারা কয় ধর্মঘট
এখন আমি কি করি!
মাইনকা চিপায় পড়ি!
তার আছে বদভ্যাস
আধা ঘন্টা আগে যাবার।

গোদের উপর বিষ ফোঁড়া
মুবাইল আইছি ফেলাইয়া,
না জানি কি গাইল পাড়তাছে
আমার চোদ্দ গুষ্টি তুইল্লা!

সি এন জি লমু কেমনে
খাওনের বিল তাইলে দিমু কেমনে!
হে বড়ই কিপটা,
গালে বুলায় হাত
বিল দেওনের সময়!

নাম্বারটা তার ভেজাইল্লা
টেনশনে গেছি পুরা ভুইল্লা,
এমুন ডাইল বেরেন নিয়া
মস্ত ভুড়ি উচাইয়া
পাড়লাম আমি লৌড়!


কেডা কইছে তোমারে কনকর্ড টাওয়ারে যাইতে
মোগো মিরপুরে মার্কেট কি কম আছে!
আর যদি হইছি বাইর মিরপুর ছাইড়া!!

বিস্তারিত পড়ুন...

ছ্যাকা পুরাণ!

লিখেছেন রাশেদ | Monday, March 10, 2008 | | 0 মন্তব্য »

ছ্যাকা খেয়েছি বেশ করেছি
চিরতার রস তো আর খাই নাই
বোতলেও তো মুখ দেই নাই!

ছ্যাকা খেয়ে হই নাই আমি বনবাসী
শখ নেই হবার দেবদাস
কতজন আসবে যাবে
ফুঃ দেই তোমায়!!

আমার যা নেবার নিয়ে নিয়েছি
তুমি বোকা বিলিয়ে বেড়িয়েছো
ছ্যাকা খেয়েছি বেশ করেছি
কোন লস হয় নাই!!

ছ্যাকা খেয়েছি বেশ করেছি
পাশে তো পেয়েছি,
সবাইকে হিংসায় পুড়িয়ে
সুন্দরী তোমাকে নিয়ে!!

ছ্যাকা খেয়েছি বেশ করেছি
রিকশায় তো ঘুরেছি,
শেষ বিকেলের আলোতে
তোমায় তো দেখেছি!!


তবুও
যখন দেখি তোমার মেসেজগুলো
মনে পড়ে তোমায়
যখন দেখি তোমার গিফটগুলো
উদাস হয় মন
কি ভুল করেছিলাম
বুঝেছি এখন
স্বপ্ন দেখা ভুলে গেছি
স্বপ্ন দেখা ছেড়ে দিছি
তবু প্রতি ক্ষনে প্রতি পলে
মনে পড়ে শুধু তোমায়!!

বিস্তারিত পড়ুন...

একটি বালিকার গল্প

লিখেছেন রাশেদ | Saturday, March 08, 2008 | | 2 মন্তব্য »

বালিকা তখন কেবল কলেজে উঠি উঠি করছে। হাতে অফুরন্ত সময়। বাসায় আর কত বসে থাকা যায়! ঘুরাঘুরিও তেমন করা হয় না। কোচিং নিয়ে ব্যস্ততা নামের ফাঁকিবাজি। কোচিং করতে যেয়েই একজনের সাথে পরিচয় হয়ে গেলো। ছেলেটাই ছোক ছোক করছিল। কিন্তু বোকা বালিকাটা বুঝেও কেন জানি ছেলেটাকে প্রশয় দিল। কোচিং এর ক্লাসের ফাকে ফাকে হাল্কা গল্পগুজব চলতে থাকে। এক বান্ধবী বুদ্ধি দিল নেটের লাইন নেবার জন্য। বালিকার আস্তে আস্তে হাতেখড়ি হলো ইন্টারনেট জগতের সাথে। তারপর শুরু হলো এমএসএনের ধুমধারাক্কা ইউজ। বালিকা কেমন যেন এক ঘোরের জগতে চলে যাচ্ছে আস্তে আস্তে। বাস্তব জগত আর ভার্চুয়াল জগতের তফাত তার মাথায় থাকে না। এরপর একদিন এমএসএনেই ছেলেটা তাকে ভালোলাগার কথা জানায়। বালিকা তার সদ্য আসা যৌবনের ধাক্কায় ভেসে গেলো ছেলেটার তীব্র আহবানে। বলে দিল তার মনের সব কথা অকপটে।

এরপর কয়েকমাস কেটে গেলো আর তাদের সাহসও বাড়তে থাকে। শুরু করে তারা বাইরে দেখা করা। শুরু হলো নতুন আসা পিজা হাট, ধানমন্ডির দোকানগুলোতে তাদের নিয়মিত আনাগোনা। নিয়ম হয়ে দাঁড়ায় মেয়েটির অনেক রাত করে বাসায় ফেরা। বাবা মায়ের চোখ রাঙ্গানি সে অবহেলায় উড়িয়ে দেয় ছেলেটার জন্য। ছেলেটা বেশ বেহায়া ছিল, ড্যাম কেয়ার ভাব নিয়ে মেয়েটার উপর অধিকার ফলাতো। পাগল সেই বালিকা কেন জানি অধিকার ফলানোটা পছন্দ করত। বাড়াবাড়ি হয়ত কিছু সময়ের জন্য হয়ে যেত মাঝে মাঝে। মেয়েটার মৃদু কিছু প্রতিবাদ টেকে না ছেলেটার উন্মাদনার কাছে। মেয়েটি স্বপ্নে দেখে সেদিন থেকে দশ বছর পরে তারা কি করবে। মনে মনে হয়ত সে ভেবে নিত তাদের ছেলেমেয়ের নাম!

এইভাবে স্বপ্নের আকাশে ভাসতে ভাসতে বছর পাড় হয়ে যায়। বোকা বালিকা কিভাবে জানি টের পায় ছেলেটা আর তাকে তেমন পছন্দ করে না। তাকে সময় দেয় না। এমএসএনেও ছেলেটাকে তেমন পাওয়া যায় না। এর মধ্যে বালিকা বেশ ভালো একটা কলেজে চান্স পেয়ে গেছে। পড়াশোনা, নতুন জায়গার স্বপ্ন তাকেও একটু হড়কে দেয়। ছেলেটা মাঝে মাঝে বালিকাকে ফোন দেয়। কিন্তু আর দেখা তেমন করে না। করলেও মেলা অজুহাত আর শুধু সুযোগ নেয়া। বেবিট্যাক্সিতে ঘোরার জন্য, রিক্সায় ঘন্টা ভাড়া করে চলার জন্য ছেলেটার উৎসাহ খুব বেশি দেখা যেত। বোকা মেয়েটা প্রতিবাদ করলেও ছেলেটার কথা ভুলে যেতে পারে না। তার ফ্রেন্ডরা তাকে চেষ্টা করে ছেলেটার কাছ থেকে সরানোর কিন্তু বোকা মেয়েটার মাথায় শুধু সেই ভন্ডটার কথাই ঘুরে ফিরে আসে।

এমনি করে আরো এক বছর গেলো। অবশেষে হঠাৎ একদিন ছেলেটি বালিকাকে তার অপারগতার কথা জানিয়ে বিদায় নেয়। বালিকা বোঝানোর ফেরানোর চেষ্টা করে অনেক। কিন্তু তাকে খুঁজে পায় না কোথাও। একেবারেই উধাও হয়ে গেছে।

আজ বহুদিন পরে যৌবনের শেষ প্রান্তে এসে ছেলেটির মনে পড়ে তার হারানো সেই দিনগুলোর কথা। বালিকার গায়ে গা লাগিয়ে বেবিট্যাক্সিতে বসে থাকার কথা। বালিকাকে ধমক দিয়ে বিশেষ ভঙ্গিতে মাপ চাওয়ার কথা। বালিকাকে দেয়া তার স্বপ্নের কথা, বালিকার মাথায় হাত বুলিয়ে দেবার কথা। কিন্তু তার অহংবোধ তার অ্যারোগেন্ট মনোভাব তাকে যেতে দিল না বালিকার কাছে। অবশেষে ধুসর জীবনের শেষ প্রান্তে এসে নিজের এপিটাফে সে লিখে যেতে চায়

হয়ত একদিন ফিরে আসবে সে
লক্ষীছাড়া এই পাগলের কাছে
ভুলটুকু মুছে দিয়ে
কষ্টটুকু আদরে ঢেকে!
হয়ত এই নশ্বর জীবনে নয়!
কিন্তু ছেলেটি তার দাবী ছাড়বে না!


আর বালিকা তার ছোটবেলার এইসব কথা মনে পড়লে এখন বিরক্ত হয়। চিন্তা করে কেন এত বোকা ছিল সে! আর পাশে শোয়া ছোট্ট বাবুটার গায়ে কাঁথাটা ঠিকমত জড়িয়ে দেয়!

বিস্তারিত পড়ুন...

আমার গান শোনা শুরু খুব বেশিদিন না। প্রাইমারিতে পড়ার সময়ে আম্মুকে দেখতাম পুরান বাংলা গান শুনত। তখন কিছু কিছু কানে আসত। তারপর আমার নিজে থেকে শোনা গান ছিল ঐ সময়ে রিলিজ হওয়া বেদের মেয়ে জোছনা আর কেয়ামত সে কেয়ামাত তাক ছবির। তখন কেবল ক্লাস ফোরে পড়ি। বেদের মেয়ের জোসনার ক্যাসেট যোগার করে গান শুনতে গিয়ে বাসায় ঝাড়ি খেয়ে সেইটাও বন্ধ হলো। নিজে থেকে আবার শোনা শুরু বেশ কিছুদিন পরে। মজার ব্যাপার প্রথম যে গান মন দিয়ে শুনি সেটা ছিল ইংলিশ গান - বাফেলো সোলজার আর লাভ অফ দা কমম পিপল (পল ইয়াং এর)। যদিও কিছুই বুঝি নাই। ফাইভে না সিক্সে পড়ি কেবল তখন! তবে বাফেলো সোলজার শব্দটা মাথায় গেঁথে গেছিল। মনে হয় ওয়েস্টার্ন বই নিয়মিত পড়ার কারনেই! এছাড়া জেমসের প্রথম অ্যালবামের ওই দূর পাহাড়ে আর নোভার রাখাল ছেলে গানটাও কাছাকাছি সময়ে শোনা। তারপর আস্তে আস্তে বছর পার করে গান শোনার স্পিড বাড়তে থাকলো। প্রথম যে বাংলা গানটা খুব ভালো লেগেছিল সেইটা ছিল ওয়াফেইজের একটি ছেলে আর এল আর বির মাধবী। এই দুই গান শুনে আমার গান শোনার পালা ফুল গিয়ারে শুরু।


এরপর থেকে বাংলা গান নিয়মিত শুনতাম। অরবিট, ফিডব্যাক, ডিফরেন্ট টাচ, সোলস এর গানও কাছাকাছি সময়ে শোনা শুরু করলাম। ঐ সময়ে চট্রগ্রামে একটা লাইভ কনসার্টে গেলাম আউটার স্টেডিয়ামে। তখন মনে হয় ক্লাস সেভেনে বা এইটে পড়ি। শুনে আসলাম প্রমিথিউজের গান। সাথে সাথে তাদের ওই অ্যালবামটা (ডাক্তার মিলনকে নিয়ে লেখা গানটা যেই অ্যালবামে ছিল) কিনে আনলাম। বেশ কিছু গান মনে ধরলো। তারপর ওই সময়েই আন্দরকিল্লাতে একটা কনসার্টে গেলাম। ছাত্রদল বা ছাত্রলীগের কি জানি এক উপলক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছিল। তখন উইনিং এর ঐ দূর পাহাড়ের ধারে গানটা একজন গাইলো। পরে দোকানে যেয়ে জানলাম ওইটা উইনিং এর গান। শোনা শুরু উইনিং। নোভার নাম শুনলাম। প্রথমে শুনলাম রাজাকারের তালিকা চাই অ্যালবামটা। সবগুলা গানই পছন্দের ছিল। তবে পদ্মার পাড়েটা হেব্বি মনে ধরছিল। তারপর কিনলাম আহবান অ্যালবামটা। শুনলাম রাখাল ছেলে। মনে পড়ল এইটা তো আগেও শুনছি! আরেকটা অ্যালবাম ঐ সময়ে ভাল লাগছিল। আগুনের রক্ত ভেজাল নাম দিয়ে বের করা। আমি পাংখা। বাংলা ব্যান্ডের চরম ভক্ত হয়ে গেছি ততদিনে।


ক্লাস এইটে পড়ার সময়কালেই একটা মিক্সড অ্যালবাম বের হইল স্টারস নামে। অনেকের গান ছিল। আমার খুব ফেভারিট অ্যালবাম ছিল ঐটা। কপিয়ার নাম দিয়ে ইংলিশ গানের নকল করে একটা অ্যালবামও খুব ভালো লাগছিল তখন। ক্লাস এইট নাইনের দিকে আরেকটা গানের কথা মনে পড়তেছে। সেইটাও ইংলিশ বনিএম এর গান নকল করে করা। সে যে কালো ডাক ব্লা ব্লা ব্লা। খুব সম্ভবত রাজশাহীর পানকৌড়ি ব্যান্ডের গাওয়া ছিল বা মেয়েদের একটা ব্যান্ড আসছিল ঐ সময়ে তাদের গাওয়া ছিল। কপিয়ারের সে যে দস্যি মেয়ে গানটা খুব পছন্দ হইছিল। পরে দেখলাম সেইটা সারভাইভর ব্যান্ডের আই অফ দা টাইগারের নকল। আরেকটা ছিল আমি আমি ফেরারি ফেরারি। সেইটার অরিজিলানটাও পরে শুনেছিলাম, এখন মনে আসতেছে না (মনে পড়ছে বিলি ওশেনের ক্যারিবিয়ান কুইন)। খালি গান শুনি সারাদিন। এল আর বির গানও পুরাদমে শোনা শুরু। ক্লাস নাইনে উঠে শুনলাম নচিকেতার নীলাঞ্জনা। হে হে! তারপর নচিকেতার ভক্ত। ওই সময়ে বের হইল জেমসের জেল থেকে বলছি অ্যালবামটা আর তবুও নামে এলআরবির অ্যালবাম। একের পর এক নতুন গান মাথাতে ঘুরত খালি। তারপর আসল নোভার স্কুল পলাতক মেয়ে। এই গানটা মনে হয় সারাদিন শুনতাম।


ইংলিশ গান শোনাও শুরু হয় মোটামোটি এই সময় থেকে। আমার ছোট মামার কাছ থেকে একটা মিক্সড ইংলিশ ক্যাসেট আনলাম। শুনলাম রেইনবোর টেম্পল অফ দা কিং, স্টারশিপের নাথিং গনা স্টপ আস, আহার ক্রাইং ইন দা রেইন, কমার লাম্বাডা, লাস্ট টাইম আই ক্রাইড (ক্রিস ডি বার্গ) আর ক্লিফ রিচার্ডের কি জানি একটা। মামাই হদিস দিল বিখ্যাত কবির ভাই আর রেইনবোর। আমার নিয়মিত যাওয়া শুরু হলো রেইনবোতে। ঐ সময়ে আমাদের বাসার উপর তলায় থাকতেন রাসেল ভাই নামের একজন। আমার ইংলিশ গানের আগ্রহ বাড়ানোর জন্য ওনার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। ওনার কাছেই নাম শুনলাম ডায়ার স্ট্রেইটস, মার্ক নফলার, ইগলস, উইলি নেলসন,জে জে কেল, রিচার্ড মার্ক্স, পিঙ্ক ফ্লয়েড, প্রিন্স, পিটার গ্যাব্রিয়েল, ডুরান ডুরান, ব্র্যায়ান অ্যাডামস সহ মেলা অনেকের। আস্তে আস্তে অ্যালবাম রেকর্ড করা চলতেছে রেইনবোতে। বেশ কিছু পুরান মেলোডিয়াস গান শুনলাম ওনার কাছ থেকে। তার মধ্যে পিটার পল অ্যান্ড মেরির হানড্রেড মাইলস আর কনওয়ে টুইটি ও জনি লির ডোন্ট ক্রাই জনি গান দুইটা দাগ কেটে গেছিল মনে। ও ও! আরেকটা আছে টেরি জ্যাকের সিজন ইন দা সান আর পল সাইমনের সাউন্ড অফ সাইলেন্স। আমার কাছে মনে হইছিল পুরা বাংলা পুরানো দিনের গানের মত। হান্ড্রেডস মাইলস গানটার ইংলিশ ভার্শনের চেয়ে অবশ্য হিন্দি ভার্শন্টাই (যাব কই বাত বিগার যায়ে) ভালো লাগছিল বেশি।


ইংলিশ গান শুনতে গিয়ে সবচেয়ে বড় সমস্যা যেইটায় পড়লাম সেইটা হইলো গানের কথা! দেখা গেলো গানের কথা বুঝি না। কি আর করা। রেইনবোর কবির ভাই কইলো, শনিবারগুলাতে আসলে লিরিক্সের পেইজগুলা দিয়ে দিবে। ফটোকপি করতে পারবো। সেইসময় মেলা লিরিক্স জমাইলাম। এখনো আছে বাসায়। মেটাল গানও শোনা শুরু ক্লাস নাইন টেনের দিকে। মেটালিকার ব্ল্যাক অ্যালবামটা শুনে শুরু করলাম মেটাল শোনা। বেশ কিছু থ্র্যাশ মেটাল গান শুনেছিলাম সেই সময়ে, নাম ভুলে গেছি।


কলেজে যখন উঠলাম তখন আসলো জেমসের একটা অ্যালবাম। ভুলে গেছি কোনটা। ঐটা শুনে গুরুর ভক্ত পুরাদমে। আস্তে আস্তে এল আর বির প্রতি আগ্রহ কমতে থাকল। খালি ইংলিশ, সিলেক্টেড বাংলা গান আর জেমসের গান শুনতাম।


তারপর ভার্সিটিতে পরার সময়ে বাচ্চুর একটা কনসার্ট দেখে তার গান আবার শোনা শুরু করলাম কিছুদিনের জন্য। সাথে বেশ কিছু নতুন গায়কদের গান শুনতাম। হিন্দি গানের প্রতি আগ্রহটাও বাড়লো এই সময়ে।


ইন্ডিয়ান বাংলা গানের মাঝে সন্ধ্যা, প্রতুল এদের কিছু গান একটা সময় বেশ ভালো লেগেছিল, আলাদা একটা মিষ্টি ভালো লাগা এনে দিয়েছিল কিছুদিনের জন্য।


এখন গান খুব কম শুনি। কয়েকটা প্রিয় সেই স্কুল কলেজ আমলের গানের একটা প্লে লিস্ট বানানো আছে, খালি ঐগুলাই শুনি। হিন্দি, ইংলিশ গানও সেইম ব্যাপার। হাতেগোনা কিছু গান শুনি। নিরস হতভাগা ছন্দহীন বুড়ো হয়ে যাচ্ছি মনে হয় বাস্তব জগতের বাস্তবতা উপলব্ধির সাথে সাথে!! কেন যে বড় হলাম! আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম!!


আমার প্রিয় গানগুলোর একটার লিরিক্স শেয়ার করলাম।


Conway Twitty & Joni Lee--Don't Cry Johnny

Jimmy please say you'll wait for me
I'll grow up someday you'll see
Saving all my kisses just for you
Signed with love forever true.

Joni was the girl who lived next door
I've known her I guess ten years or more.
Joni wrote me a note one day.
And this is what she had to say.

Jimmy please say you'll wait for me
I'll grow up someday you'll see
Saving all my kisses just for you
Signed with love forever true.

Slowly I read her note once more
Then I went over to the house next door
Her tear-drops fell like rain that day
When I told Joni what I had to say.

Joni, Joni please don't cry
You'll forget me by and by
You're just fifteen I'm twenty two,
And Joni I just can't wait for you.

Soon I left out little home town,
Got me a job and tried to settle down
But these words kept haunting my memory,
The words that Joni said to me.

Jimmy please say you'll wait for me
I'll grow up some day you'll see
Saving all my kisses just for you
Signed with love forever true.

I packed my clothes and I caught a plane
I had to see Joni. I had to explain,
How my heart was filled with her memory
And ask my Joni if she marry me

I ran all the way to the house next door
But things weren't like they were before
My tear-drops fell like rain that day
When I heard what Joni had to say.

Jimmy, Jimmy please don't cry
You'll forget me by and by.
It's been five years since you've been gone
Jimmy, I married your best friend John.


গানটির লিঙ্ক


বি. দ্র. স্মৃতির বিশ্বাসঘাতকার জন্য দুই একটা গানের টাইম উলটাপালটা হইতে পারে!!


উৎসর্গঃ টুটুল মামা ও রাসেল ভাই।

বিস্তারিত পড়ুন...

ধুসর স্বপ্ন

লিখেছেন রাশেদ | Wednesday, March 05, 2008 | | 0 মন্তব্য »

না হয় পেলাম না কিছুই
তাতে কিবা আসে যায়!
ছোট্ট এই জীবনে
ছোট্ট এই মানুষটির
কষ্ট তাতে বাড়ে না!

স্বপ্ন দেখা সাজে না
স্বপ্ন দেখা খাটে না
স্বপ্ন কোনদিন মিলে না
স্বপ্ন দেখা তাই বলে ছাড়ি না!

হয়তোবা কেউ একজন
হয়তোবা কোন একদিন
ছুয়ে দিবে আলতো করে!

চোখ ভরা ব্যথামাখা আশা নিয়ে
তারই অপেক্ষায় থাকি!

বিস্তারিত পড়ুন...