আশা!

লিখেছেন রাশেদ | Monday, August 11, 2008 | | 8 মন্তব্য »

ঘুম ঘুম চোখে
সমুখের পানে তাকিয়ে
অপেক্ষায় থাকি
সেই পরিচিত শব্দগুলোর।


আশা দিয়ে ভুলিয়ে রেখে
আরেক বাহুবলের আড়ালে,
যেখানেতে বেশি সুখ
শীৎকারে হয় মত্ত!


ভুল সময়ের ফাঁদে পরে
অজানা এক দুঃখ
চেনা মুখের অচেনা বাক্যবাণ
করে কিছুটা ক্ষুব্ধ।


মেঘলা আকাশের মেঘের মেলা
অসহ্য বৃষ্টির ফোঁটা,
কানে বাজে খিলখিলানো হাসি
পিশাচিনীর নরম স্পর্শ!

বিস্তারিত পড়ুন...


আমি তখন পড়ি ক্লাস ফোরে। টিপু ভাই নামে এক বড় ভাই মনে হয় সিক্সে পড়ে তখন। উনি একদিন ব্রুস লির একটা ছবি নিয়ে আসলো। ক্যাসেটটা দেখার সময়ে দেখি নগ্ন মেয়ের ছবি দেখাচ্ছে। ভিলেইনরা তাকে ভাড়া করছে ব্রুস লি কে সিডিউস করার জন্য। আমি তো অবাক হয়ে গেছি, সারা দুনিয়ার মানুষ তো ঐ মেয়েকে দেখতেছে। সে সব খুলে ফেললো কি মনে করে! মাথা পুরা গরম! পরে টিপু ভাই বুঝাইলো মেয়েটা একটা স্কিন টাইট মোজা টাইপের কাপড় পড়া আছে। তারপর মাথা ঠান্ডা হলো আমার।

ক্লাস ফাইভে পড়লাম মাসুদ রানার একটা বই। তুরস্কের কাহিনী। বেশ কিছু বর্ননা ছিলো। পরে বেশ মজাই পাইছিলাম।

সিক্স সেভেনের দিকে এক বন্ধুর কাছে পোস্টার দেখলাম মেয়েদের, ন্যুড। হাসান নাম ছিলো ছেলেটার। বেশ আগ্রহ নিয়ে দেখেছিলাম। ঐ কাছাকাছি সময়েই একটা দোকান থেকে বই মাঝে মাঝে বই ভাড়া আনতাম আর পুরান বই কিনতাম। সেখানে দেখি এইসব বই। দুই একটা এনে পড়লাম। অনেক টার্মস শিখলাম। আবার এইটে যখন পড়ি, তখন পাশের কলনীর কিছু ছেলে একদিন বাসায় একটা ভিডিও ক্যাসেট নিয়ে আসলো, আম্মুর ভয়ে চালাইতে দেই নাই।

এইটে পড়ার সময়ে ভিন্ন এক প্রকাশনীর বেশ কিছু ওয়েস্টার্ন বই পাইলাম এক বন্ধুর কাছে। একটা বই এর প্রচ্ছদে একটা মেয়ের হাফ ন্যুড ছবি ছিলো। পড়তে যেয়ে দেখি মোম বাতির আলোয় দেখা প্রেইরির বর্ণনা! জটিল একটা বই ছিলো। বাবার ট্রান্সফারের কারনে এইসব বই কিনার সাহস পাই নাই তখন।

তারপর নাইনে উঠে এক বন্ধুর বাসায় দেখলাম কিছু ছবি। সাথে এক নতুন বন্ধুও ছিলো। সে আমাদের উপরে খুব বিরক্ত হয়ে প্রায় মেলামেশা ছেড়ে দেয়! নীলক্ষেত চেনা শুরু তখন। রাখতাম এক বন্ধুর কাছে। সে তার ড্রয়ারের নীচের ফাঁকা জায়গায় বইগুলো রেখে দিতো। বেচারা সবগুলো স্ক্যান করে সিডিতে রাইট করছিলো। পরে কে জানি সিডিটা মেরে দেয়!

এখন অবশ্য আগ্রহ অনেক কমে গেছে। তেমন পড়ি না। মাঝে মাঝে বাংলা সাইটে ঢু মারি খালি।


বিস্তারিত পড়ুন...


এলোমেলো কথন। কোন লাইনের সাথে পরের লাইনের মিল নেই।

আমি তখন ক্লাস ফোরে পড়ি। স্কুল থেকে আসার পথে পড়ে পাবলিক লাইব্রেরি। মাঝে মাঝে সেখানে যেতাম। ঐ সময়েই প্রথম লাইব্রেরিতে যাওয়া শুরু করি। কার্টুন (মনে হয় চাইনিজ) বেশ কিছু সিরিজ ছিলো। মজা করে পড়তাম। ঐগুলো দোকানে পেতাম না। তো ক্লাস সিক্সে যখন পড়ি, তখন পাবলিক লাইব্রেরিতে যাওয়াটা নেশা হয়ে গেছিলো কয়েক মাসের জন্য। প্রচুর বই পড়ে ফেলেছিলাম সেই সময়ে। মাঝে মাঝে আমার এক বন্ধু যেত আমার সাথে। লাইব্রেরি থেকে বের হয়ে পাশের মার্কেটে ভিডিও গেইমস খেলতাম (পিস্তলের একটা খেলতাম মনে আছে, মোস্তফা মনে হয় খেলি নাই ঐ সময়ে, নাইন টেনে খেলছিলাম মনে আছে।)। তো যেই কথা বলার জন্য এতো বকবক, সিক্সে থাকতে লাইব্রেরি থেকে দুইটা বা তিনটা বই মেরে দিছিলাম জ্যাকেটের ভিতরে করে। পরে অবশ্য খারাপ লাগছিলো, কিন্তু ফেরত কেমনে দেই ভেবে দেয়া হয় নাই।

ক্লাস সিক্স বা সেভেনে স্কাউটে যোগ দেয়ার শখ হয়। তো বছরের মাঝামাঝি বা লাস্টের দিকে যোগ দিলাম। কিছুদিন পরে বিজয় দিবস উপলক্ষে স্টেডিয়ামে নিয়ে রোদের মাঝে অনেকক্ষন দাঁড়িয়ে থেকে সেই শখও মিটে গেলো। আর ভুলেও যাই নাই।

ঐ সময়ে বাপের আগ্রহে দিলাম ক্যাডেট কলেজে পরীক্ষা। আমার মাথায় ছিলো খালি সাধারন জ্ঞানের পড়ার নেশা। খাইলাম ডাব্বা! বাপে চেইতা ফায়ার!

ক্লাস নাইনে এসে স্কুল চেঞ্জের জন্য প্রথম ভর্তি পরীক্ষা দেই মতিঝিল আইডিয়ালে। ঐটাতেও খাই ডাব্বা!

ক্লাস ফোরে পড়ার সময়ে এক বন্ধুর ঘুড়ির মাঞ্জার টাকা বাপের পকেট থেকে চুরি করি। পরে ছোট ভাইটা ঝাড়ি খায় বাপের কাছে। আমি সাধু মানুষের মত চুপচাপ থাকি। এখন অবশ্য এইসব মনে পড়লে খারাপও লাগে মাঝে মাঝে।

৯১ এর ঘুর্নিঝড় দেখছিলাম। ভয়াভয় জিনিস। সিড়িঘরে বসে রাত কাটাইছিলাম। শেষের দিকে অবশ্য ঘুমিয়ে গেছিলাম মনে হয়। বাসার বেশ কিছু জানালা ভেঙ্গে গেছিলো। তখনো বুঝি নাই কি হইছে আসলে। সকাল হবার পরে টের পাই কি লংকা কান্ড ঘটে গেছে।

ক্লাস ফোর ফাইভের দিকে এক মোয়াজ্জেম সাহেব এসে ভোরবেলাতে আমাকে আর আমার ছোট ভাইকে কোরান পড়াতেন। তো বেশিরভাগ সময়ে ৬ টা বা ৬.৩০ এর দিকে উনি আসতেন। ওনার ডাক শুনে আমি বা ছোট ভাই যেয়ে মেইনগেট খুলে দিতাম। মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে খুলতাম না, উনি অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করে চলে যেতেন।

তখন মনে হয় সেভেনে পড়ি। বিটিভি সিএনএন আর বিবিসি এর কিছু কিছু অংশ বিকাল বেলা আর সকাল বেলা দেখাতো। ঐ সময়ে একটা স্টাইল শো হতো। ঐটা খুব আগ্রহ নিয়ে দেখতাম।

বিস্তারিত পড়ুন...