দিলেম মনকে ছুটি!

লিখেছেন রাশেদ | Thursday, October 30, 2008 | | 2 মন্তব্য »


নীল আকাশে মেঘের মেলা
আমার রুমে নিকোটিনের ধোঁয়া
সব যে মূল্যহীন
রেখে শুধু স্মৃতি!

মন আজ তাই ভালো নেই
মনকে দিলেম ছুটি
সিক্ত থেকে রিক্ত আমি
স্বপ্ন আজ ভিন্নগামী!

ভুলেও আর চাই না
স্বপ্নেও যে বলি না
মিছে তোমার ভয়
সব আমারই খেলা!

ভুলের সেই খেলাতে
শূন্য হয়েছি আমি
গোলপোস্টটি ফাঁকা ছেড়ে
আজ হাত কামড়ে মরি!

সব যে লাগে যন্ত্রনা
মনকে দিলেম তাই ছুটি
আমিও যে চাই মুক্তি
অসহ্য সেই পংক্তি!

কষ্ট পেয়েছো তুমি
রিক্ত হয়েছি আমি
সব শূণ্যতা মিলিয়ে যাক
মনকে তাই ছুটি!

তোমার সেই হাসিটা
চোখ বুঁজে ভাবি
পারি না হাসতে
দিলেম মনকে ছুটি!

বিস্তারিত পড়ুন...

মাতারি কোবতে

লিখেছেন রাশেদ | Saturday, October 25, 2008 | | 8 মন্তব্য »


শালীর বেটি নটির রানী
তোমারে আমি পুছি না
হাতে আইসা ফসকে যাবা
এইটাও মানুম না!

স্পর্শ যখন পেয়েছি
গন্ধ শুকেই যাবো
তা তুমি যেখানেই যাও মাগী
যার কোলেই শুয়ে থাকো না!

তোমার নরম শরীর
তোমার পাতলা ঠোঁট
আহা কি আনন্দ!
তোমারে আমি পুছি না!


তাই বলে তোমারে
আমি ছাড়বো না!
যেই চুতিয়ার কাছেই
থাকো না কেনো মাতারি!

বিস্তারিত পড়ুন...

বিয়ের দাওয়াত!

লিখেছেন রাশেদ | Saturday, October 11, 2008 | | 6 মন্তব্য »


ভার্সিটি থেকে পাস করার কিছুদিন পরে একবার চট্রগ্রাম গিয়েছিলাম এক ফ্রেন্ডের বড় বোনের বিয়ের দাওয়াত খেতে। কয়েক ফ্রেন্ড সেখানে জব করছে, তাদের বাসাতে থাকা যাবে, বেশ কিছুদিন তাদের সাথে আড্ডা দেয়া হয় না। এই চান্স মিস করা ঠিক হবে না ভাবলাম আর সেই ফ্রেন্ডের বাসার সবাই আমাকে চিনে, তাই বিয়েটাও মিস করা উচিত হবে না ভেবে রাতের বাসে উঠে পড়লাম চট্রগ্রাম যাওয়ার জন্য। এই জার্নিটা আমি খুব উপভোগ করি, দারুন দারুন ভলভো এসি বাস। আরামে চলে যাওয়া যায়।


তো সকালে পৌঁছালাম চট্রগ্রাম। ফ্রেন্ডকে ফোন দিয়ে রিকসা নিয়ে তাদের বাসায় চলে গেলাম। শুরু হলো গল্পগুজব। আরো কিছু ফ্রেন্ড ছিলো চট্রগ্রামের, ভার্সিটিতে পড়ার সময়ে পরিচয়। তাদের সাথেও দেখা হলো। সারাদিন তুমুল আড্ডা দিয়ে কাটলো। মাঝে ফয়েজ লেক ঘুরে আসলাম। সন্ধায় গেলাম পতেঙ্গা। সেখানে চুপচাপ বসে বসে ভার্সিটি আমলের মজার সব স্মৃতিচারণ চললো কিছুক্ষণ। তারপর শুরু হলো হেরে গলায় গান। সাথে যেই কয়েকজন ছিলো, কারো গলায়ই সুর নাই বা কয়েক লাইনের বেশি কোনো গান জানি না। তাও চালাতে থাকলাম।

এক পোলা এসে তখন পানীয় লাগবে নাকি জিজ্ঞাসা করলো। কিনে ফেললাম একটা! পতেঙ্গায় আগেও অনেক আসছি, কিন্তু কোনদিন খাই নাই। সেদিন খেয়ে ফেললা, সেখানে বসে। বার্মিজ ছিলো নাকি খেয়াল নাই, তবে খানিকটা করা ছিলো। কেরু খাওয়া পেটেও টের পাচ্ছিলাম কিছু নামতেছে গলা দিয়ে!

যাইহোক, পরের দিন রাতে দাওয়াত ৮ টায়। আমরা সবাই সেজেগুজে রওয়ানা দিলাম ৮ টার দিকে। যেয়ে দেখি কেউ নাই! এক ছেলে বারবার মানা করছিলো এতো আগে না যেতে! পাত্তা দেই নাই। দিলাম বন্ধুকে ফোন। বলে যে এইতো আসতেছি। তাও কোন খবর নাই। কি আর করা! চুপচাপ বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে বিড়ি খাই আর গপ্প করতে থাকলাম। অবশেষে তারা আসলো। আমাদের খেতে ডাকলেও বসি নাই, ভাবলাম পরেই খাই। বন্ধুকে বলেও রেখেছিলাম যে পরে খাবো তার সাথে। আমরা বাইরে দাঁড়িয়ে মেয়ে দেখি আর হিসাব নিকাশ করি; বিড়ি টানাও চলছিলো। তো অনেকক্ষণ পরে আমাদের হুশ হলো, ব্যাপার কি! ঐ বন্ধুকে তো দেখতেছি না অনেকক্ষণ ধরে। ভিতরে যেয়ে উঁকি দিলাম। দেখি সে খাচ্ছে, ভাবে মনে হলো এইটা লাস্ট ব্যাচ। আমি তাড়াতাড়ি বাইরে এসে বাকিদের বললাম কাহিনী। সবাই একটু ভ্যাবাচেকা খেয়ে গেছে। এখন ভিতরে যাই কিভাবে। শুধু আত্মীয় লোকজনের খাওয়া দাওয়া চলতেছে মনে হলো। তাড়াতাড়ি ভাগলাম।

এখন যাদের সাথে ছিলাম, তাদের সাথে আরো দুইজন সিনিয়র ভাই থাকে। ফলে বাসায় যেয়ে যে পুরানো যা আছে খাবো, কেমন জানি লাগতেছিলো। চরম বেইজ্জতি কান্ড! তাড়াতাড়ি জিইসির মোড়ে চলে গেলাম। দেখি সব দোকান বন্ধ। আশে পাশে খোঁজা শুরু করলাম। কোন হোটেল পাচ্ছি না, যেখানে খাওয়া দাওয়া করা যায়। পরে একটাতে দেখি আলো জ্বলে। সেখানে দৌড়ে চলে গেলাম। অর্ডার দিলাম। খাওয়া আসে না, অনেকক্ষণ পরে বেশ কিছু খাবার দিলো। কিন্তু যা অর্ডার দিয়েছিলাম, সেগুলো পাই নাই। একজন এসে বললো, এইগুলোই শুধু আছে এখন। আর কিছুই নাই এই মুহূর্তে। কি আর করা। মনে হয় স্টাফ কারি ছিলো সেগুলো। হামলে পরে সাবাড় করলাম তাড়াতাড়ি।

তারপর আসতে ধীরে বাসায় চলে আসলাম সেই বন্ধুরে দুনিয়ার সব গালি দিতে দিতে। বিয়ে বাড়িতে যেয়ে গিফট দিয়েও খাওয়া মিস! তাকে এখনো অবশ্য বলা হয় নাই এই কাহিনী লজ্জা পাবে দেখে।


বিস্তারিত পড়ুন...

ঈদ

লিখেছেন রাশেদ | Saturday, October 04, 2008 | | 2 মন্তব্য »


ছোটবেলায় ঈদ মানে ছিলো অন্য কিছু। রমজানের কয়েকটা রোজা যাওয়ার পরেই মায়ের কিনে আনা কাপড় ট্রায়াল দিয়ে দেখা, ঈদে ভালোমন্দ খাওয়া, ইত্যাদি দেখা, আনন্দমেলা আর অন্য অনুষ্ঠানগুলো দেখা এইসব মিলিয়ে ছিলো ঈদ। আরেকটু বড় হবার পরে ঈদের মাঝামাঝি গেলেই টেনশনে পড়া, বাবার কাছ থেকে এইবার কত টাকা পাবো ঈদে, সেইটা নিয়ে। টাকা পেলেই প্রথমে পাঞ্জাবি আর তারপর অন্য কিছু কেনাকাটা। ঈদের দিন নামাজ পরে মিষ্টিমুখ করেই বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে ছুটে যাওয়া। ঈদের পরের দিন মদ খেয়ে উল্লাস করা। গ্যান্দাকালে নানাবাড়ি বা দাদাবাড়িতেও মাঝে মাঝে যাওয়া হতো ঈদ করতে। আরো কাজিনরা আসতো, বেশ মজায় হই হুল্লোর করে ঈদ পার করা। যত দিন যাচ্ছে ঈদের আনন্দ কমে যাচ্ছে। ঈদ মানে হয়ে দাঁড়িয়েছে এখন অনন্ত বিড়ি ফোঁকা! বাবা মায়ের ফোন আসলে সেমাই খাওয়ার মিছে গল্প বলা। চুপচাপ ঘুমিয়ে থেকে মানুষের আনন্দের গল্প শোনা। পুরানো দিনের কথা মনে করে বিষন্ন মুখে আরো একটি সিগারেট ধরানো। কার্টেসি বজায় রাখার জন্য কিছু ফোন করে শুভেচ্ছা বিনিময়। আর নিভৃতে একা একা ঈদের নোংরা গন্ধ নেয়া! অচেনা মানুষগুলোর উল্লাস একা একা বসে থেকে দেখা!

বিস্তারিত পড়ুন...

দিনলিপি

লিখেছেন রাশেদ | Saturday, October 04, 2008 | | 2 মন্তব্য »



অনেকদিন বাদে আজকে এখানে লিখতে ইচ্ছে হলো।

কখনো আশা করতে নেই, নেই স্বপ্ন দেখতে! তোমার প্রিয় মানুষগুলোই তোমারে ভুলে যাবে। তোমার ক্ষুদ্র অবদান মনে রাখাটা তখন সমস্যা! বন্ধুত্ব তাতে বাঁধা পড়ে যে! তাও কেন বারবার ফিরে ফিরে যাও! লজ্জা পাওয়া উচিত। কৃতজ্ঞতাবোধ কাকে বলে! কারো কাছে আশা করো না কখনো কোন নির্মল হাসি, নির্ভরতার হাসি! ঠকবে তুমি। সবাই চায় শুধু সামনে তাকাতে! পাশে কেউ থাকতেও পারে, সেইটা আর মাথায় থাকে না! কেনো তুমি নির্ভরতা আশা কর? একা থাকো, নিজের মত থাকো! চারপাশ অনেক সহজ লাগে তাহলে। তাই তো থাকবা?



বিস্তারিত পড়ুন...